1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভালুকায় অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষে দিনব্যাপী মতবিনিময় সভা হাতপাখা বিজয়ী হলে কাউকে হয়রানি করা হবে না :মফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাই যশোরে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পথসভা: ‘দ্বিমুখী রাজনীতি জনগণ মেনে নেবে না’—হাসনাত আব্দুল্লাহ বগুড়ায় মোডিফাই করে উচ্চ শব্দ সৃষ্টি বৈধ কাগজ পত্র না ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা জরিমানা চিরিরবন্দরে বাসের ধাক্কায় শিশু নিহত ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে নওগাঁও ১ আসনের প্রার্থী জনসভা করেন সাপাহারে বাগাতিপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের বিশাল মিছিল ও পথসভা মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুযাইফার মৃত্যু লক্ষ্মীপুরের চার সংসদীয় আসনে ২১৮ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, জোরদার নিরাপত্তায় প্রশাসন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে দাঁড়ি পাল্লার নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

লক্ষ্মীপুরের চার সংসদীয় আসনে ২১৮ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, জোরদার নিরাপত্তায় প্রশাসন

মাহমুদুর রহমান মনজু  
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরের চারটি সংসদীয় আসনের একাধিক ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতীতের সহিংসতা ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র এখনো পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়ায় নির্বাচন ঘিরে নতুন করে সহিংসতার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
তাঁদের মতে, সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভোটকেন্দ্র দখল, সংঘর্ষ ও প্রাণহানির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আবারও ঘটতে পারে। বিশেষ করে ভোটের আগের দিন ও ভোটের দিনে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে।
তবে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটারদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন তাঁরা।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চারটি আসনের এমপি প্রার্থী ও তাঁদের দলীয় নেতাকর্মীরা নির্বাচনী পথসভা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে ভোটের দিন কেন্দ্রে যাওয়া নিয়ে নারী ভোটারদের মধ্যে সহিংসতার আশঙ্কা বেশি দেখা যাচ্ছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ৭৪ হাজার ২৬১ জন, যার মধ্যে পোস্টাল ভোটার ৭ হাজার ৪০ জন। লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনে ভোটার ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৯৬২ জন এবং পোস্টাল ভোটার ১০ হাজার ৬৩ জন। লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৬০৫ জন, পোস্টাল ভোটার ৯ হাজার ৮৬৭ জন। লক্ষ্মীপুর-৪ (কমলনগর ও রামগতি) আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১২ হাজার ২৯৩ জন, পোস্টাল ভোটার ৫ হাজার ৮৬৫ জন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, চারটি আসনের মোট ৪৯৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২১৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। এসব কেন্দ্রে এক হাজার ৩১৩ জন পুলিশ, ৬০০ জন সেনাসদস্য, ১০ প্লাটুন বিজিবিসহ প্রায় তিন হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভোটের চার দিন দায়িত্ব পালন করবেন।
আসনগুলোর একাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ মোট ৩৫ জন প্রার্থী চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান আরও জোরদারের দাবি ওঠে। সভায় জানানো হয়, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় কিছু সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা এলাকা ও মেঘনা উপকূলীয় রামগতি অঞ্চলে আতঙ্কের পরিবেশ বিরাজ করছে।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ লাখ ৩৭ হাজার ৯০৪ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৭ লাখ ৯০ হাজার ২৫৭ জন এবং পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৪৭ হাজার ২৫৭ জন। নির্বাচন কমিশনের ২০২৫ সালের হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী আগের সংসদ নির্বাচনের তুলনায় ভোটার বেড়েছে ৭ লাখ ১ হাজার ৩২৮ জন।
থানাভিত্তিক কেন্দ্র বিন্যাস অনুযায়ী লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় ১২২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ ও ২০টি সাধারণ। রায়পুর উপজেলায় ৮২টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৬টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪৭টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৯টি সাধারণ। রামগঞ্জ উপজেলায় ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ও ৬৩টি গুরুত্বপূর্ণ। রামগতি উপজেলায় ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৭টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩৫টি সাধারণ। কমলনগর উপজেলায় ৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ৩৬টি গুরুত্বপূর্ণ ও ৩টি সাধারণ। চন্দ্রগঞ্জ থানার অধীনে রয়েছে ৭৭টি কেন্দ্র, যার মধ্যে ৪০টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ২১টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৩টি সাধারণ কেন্দ্র।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় জানায়, পাঁচটি সূচকের ভিত্তিতে কেন্দ্রগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার ও র‍্যাব মোতায়েন থাকবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ভোটগ্রহণ স্থগিত করার নির্দেশনাও রয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, “ভোটাররা যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে। সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।”
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান বলেন, “শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com