ভোলার ঐতিহ্যবাহী লালমোহনে জন্ম হয়েছে ৬ পা বিশিষ্ট একটি বাছুরের। এমন খবর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এক নজর বাছুরটি দেখতে উৎসুক বিভিন্ন এলাকার লোকজন গরুর মালিকের বাড়িতে ভীড় করছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারী ) রাতে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চর উমেদ গ্রামের আজাহার উদ্দীন রোডের পূর্ব মাথা সংলগ্ন সৌদি আরব প্রবাসী মোঃ মনিরের বাড়িতে ওই বাছুরটির জন্ম হয়। জন্মের পর দেখা যায় বাছুরটির চারটি পা থাকলেও ঘাড়ের কাছে অতিরিক্ত দুইটি পা রয়েছে ইহা দেখি এলাকাবাসীর আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
চিকিৎসক জানিয়েছেন, বাছুরটির ৬টি পা হলেও সমস্যা নেই। সুস্থ ও স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠতে পারবে।
গরুর মালিক মোঃ শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, গাভীটি ভোর রাতে দিকে ৬ পা বিশিষ্ট একটি বাছুরের জন্ম দেয়। চারটি পা ঠিক জায়গায় থাকলেও ঘাড়ের কাছেও পা রয়েছে। এমন বিরল প্রকৃতির বাছুর জন্ম দেওয়ায় প্রথমে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।
পরে চিকিৎসকের কাছে গেলে চিকিৎসক জানান, ৬ পা হওয়াতে বাছুরের বেড়ে উঠতে কোনো সমস্যা হবে না। আলহামদুলিল্লাহ, বাছুরটি সুস্থ আছে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছে।
এদিকে ছয় পা বিশিষ্ট গরুর বাছুরের জম্ম হওয়ার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে বাছুরটি এক নজর দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভীড় করছেন গরুর মালিকের বাড়িতে। এ বিষয়ে ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ( ভেটেরিনারি সার্জন) ডা: মোঃ গোলাম মোস্তফা বলেন, এমন ঘটনা খুবই বিরল। এটা সচরাচর ঘটে না। তবে আশার কথা হচ্ছে , ৬ পা হলেও বাছুরটির কোনো সমস্যা হবে না। বাছুরটি কিছু টা বড় হলে অতিরিক্ত দুটি পা ইচ্ছে করলে অপারেশনের মাধ্যমে কেটে ফেলা যেতে পারে।