1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

সংরক্ষিত নারী আসনে সাজেদাকেই চাইছে বরিশাল বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা

জাহিদুল ইসলাম মামুন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে সম্পুর্ন ক্লিন ইমেজের এক নির্ভীক ও ত্যাগী নির্যাতিত নিবেদিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের পরীক্ষিত নারী নেত্রীর নাম বাহাদুর সাজেদা আক্তার। বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী থেকে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে উঠে আসা নিজ যোগ্যতা ও সাহসিকতায় তিনি আজ নিজ এলাকা গৌরনদী-আগৈলঝাড়াসহ বরিশাল জেলা ছাপিয়ে এখন কেন্দ্রীয় পর্যায়েও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সম্প্রতি তার জীবনবৃত্তান্ত পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এক দীর্ঘ ও ত্যাগী রাজনৈতিক জীবনের চিত্র।

​ব্যক্তিগত জীবনে উচ্চশিক্ষিত বাহাদুর সাজেদা আক্তার এম.এ এবং এল.এল.বি ডিগ্রিধারী। তিনি পেশায় একজন প্রভাষক হিসেবে ঢাকার ক্যাপিটাল ল কলেজে কর্মরত এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পরীক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
সাজেদা আক্তারের রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্রজীবন থেকেই। ১৯৯৩ সাল থেকে তিনি সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি ক্যাপিটাল ল কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি চরম নির্যাতনেরও শিকার হয়েছেন। আর এই নির্যাতনের কবল থেকে মুক্তি পায়নি তাঁর দুটি অবুঝ শিশুও। বিশেষ করে ২০০১ সালে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গৌরনদী কলেজে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বর্বরোচিত হামলার শিকার হন। ১৯৯৯ সালে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
বর্তমানে তিনি বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রধান সমন্বয়ক এবং আইন সহায়তা কমিটির সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক ও আইনি সেবায় নিয়োজিত আছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০২৬) তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. জহির উদ্দিন স্বপনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আগৈলঝাড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে নেতাকর্মীদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও অধিকার রক্ষা আন্দোলনেও যুক্ত।

বর্তমানে এ্যাডভোকেট বাহাদুর সাজেদা আক্তার কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করছেন। এর আগে তিনি আইন ছাত্র ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং নব্বইয়ের দশকে ইভটিজিং বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রনেত্রী হিসেবে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বরিশাল বিএনপির ​তৃণমূল নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মতে, বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে সম্পুর্ন ক্লিন ইমেজের নেত্রী বাহাদুর সাজেদা আক্তারের মতো ত্যাগী ও শিক্ষিত নেতৃত্ব দলের দুঃসময়ে বরিশাল অঞ্চলে বিএনপিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আসন্ন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাহাদুর সাজেদাকে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনীত করলে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সাহসিকতা আগামী দিনে দলীয় কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনবে বলে তারা আশাবাদী বরিশাল বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনতা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com