1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

সরিষাবাড়ি উপজেলা ও পৌর ছাত্রদল অবিরাম ছুটে চলছে বন্যার্তদের সহযোগীতার জন্য ত্রান সংগ্রহে

মো.সিফাত
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের বন্যা দূগর্ত মানুষের জন্য গণত্রান সংগ্রহ করার লক্ষ্য নিয়ে অবিরত ছুটে চলছে সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রদল এবং সরিষাবাড়ি পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট)সকাল থেকে দিনব্যাপী বাউসি উচ্চ বিদ্যালয় ,বারইপটল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,বাউসি বাজারসহ বিভিন্ন জনাকীর্ণ জায়গায় সরিষাবাড়ি উপজেলা ও শহর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাংলাদেশের বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ত্রান সংগ্রহ করে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ১১ টি জেলার ৭৪ টি উপজেলা বন্যাপ্লাবিত।এই বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানিসহ মানুষের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। যার কারণে বাংলাদেশের সরকারি- বেসরকারি সব পর্যায় থেকে বানভাসি মানুষের জন্য ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ১ হাজার ৯৮ টি সরকারী আশ্রয়কেন্দ্রে ১ লাখ ৮২ হাজার ৩০৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।এখনো হাজার হাজার মানুষ মান-সম্মানের কারণে আশ্রয়কেন্দ্রে না যেতে পেরে অবর্ণনীয় দুঃখ কস্টে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নিয়ে আছে। তাদের সহযোগিতার জন্যই গণত্রাণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রদল ও ছাত্রদলের এ উদ্যোগ

ত্রাণ সংগ্রহের সময় সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রদল ও পৌর ছাত্র দলের নেতাকর্মীরা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের বানভাসি মানুষদের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ত্রাণ সংগ্রহের নেতৃত্ব প্রদান করেন সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন – আহবায়ক আরিফুর রহমান আরিফ।এইসময় উপস্থিত ছিল ৬ নং ভাটারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ- সভাপতি মোঃ শামিম মিয়া (বাচ্চু),পৌর ৭ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি রাসেল ইসলাম, ছাত্রনেতা বাধন,আলামিন, শামিম, সজিব, ফয়সাল, শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মী সহ আরো অনেকেই।

এই গণত্রাণ কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়ে সরিষাবাড়ি রিপোর্টার্স ক্লাব এর সভাপতি দেনিক গণমুক্তি পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ গুলজার হুসেন এবং অত্র ক্লাবের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আনোয়ার আনোয়ার হোসেন বন্যার্তদের সহযোগীতার জন্য নগদ অর্থ প্রদাণ করেন।সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রদল ও পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সকল কে বন্যার্তদের পাশে এসে দাডানোর আহ্বান জানান।এছাডাও সরিষাবাড়ি আর ডি এম উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক রজব আলি স্যার দৈনিক দেশ বুলেটিনকে জানান সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রদলের এই কর্মসূচী কে সফল করার লক্ষ্যে আমাদের সকলকে এই মহান কাজে শরিক হতে হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com