সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার সকালে অবৈধ মাটির ট্রলি আটক করাকে কেন্দ্র করে ‘কেসমত’ নামের এক ব্যক্তিকে মা-রপি-টের অভিযোগ তুলে এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে ব্রহ্মরাজপুর এলাকায় একটি অবৈধ মাটির ট্রলি আটক করে পুলিশ। এ সময় ট্রলি সংশ্লিষ্ট কেসমত নামের এক ব্যক্তির সাথে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কথা কাটাকাটি হয়। অভিযোগ উঠেছে, এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা কেসমতকে শারীরিক লাঞ্ছিত ও মারপিট করেন।
কেসমতকে মারধরের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও ট্রলি শ্রমিকরা জড়ো হয়ে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ি অভিমুখে যাত্রা করেন এবং ফাঁড়ি প্রাঙ্গণ ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের দাবি, তুচ্ছ ঘটনায় সাধারণ মানুষকে এভাবে মারধর করা আইনসম্মত নয়। তারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।
ঘেরাও চলাকালীন ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তারা উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন এবং বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
এলাকাবাসীর বক্তব্য: “আমরা কেবল ট্রলি আটকের প্রতিবাদ করছি না, বরং একজন সাধারণ মানুষকে পুলিশের গায়ে হাত তোলার বিচার চাই। দোষ থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কিন্তু মারধর কেন?”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।