1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

সিংগাইরে ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়,বিপর্যয়ের মুখে কৃষি উৎপাদন

আল আমিন সরকার
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ফসলি জমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। এতে হুমকির মুখে পড়ছে আবাদি জমি। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় কৃষকরা। মাটি কাটার ফলে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে। আবাদি জমি পরিণত হচ্ছে অনাবাদি। এতে কমতে শুরু করেছে ফসলের উৎপাদন। সেইসাথে পার্শ্ববর্তী জমি মালিকদের মধ্যেও ভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পরছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বায়রা ইউনিয়নের নয়াবাড়ি মৌজার নদী সিকস্তির জায়গা, বলধারা ইউনিয়নের খোলাপাড়া এলাকার হুনাখালির চক ও গোলাইডাঙ্গা এলাকার শফিক কোম্পানির ইটভাটা সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে এক্সকেভেটর (ভেকু) দিয়ে মাটি কাটা হচ্ছে। মাটি ব্যবসায়ীরা চার-পাঁচটি মেশিন দিয়ে ছয়-সাত ফুট গভীরভাবে মাটি কেটে ইটভাটায় নিয়ে যাচ্ছে। এক জমির মাটি কাটায় অন্যদের জমি উঁচু হচ্ছে। এতে বাধ্য হয়ে তারাও মাটি অথবা জমি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব এলাকার মাটি ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করতে পারছেন না সাধারণ জনগণ।
স্থানীয়রা জানান, দিনরাত্রি অবাধে মাটি কাটা চলে। মাটি বহনে কাকড়া ও ভারি ড্রাম ট্রাক ব্যবহৃত হওয়ায় গ্রামীন রাস্তা গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। পাকা রাস্তা দিয়েও এসব মাটি বহন করা হয়। এর ফলে রাস্তাগুলোও ঝুকিপূর্ণ হয়ে গেছে। কুয়াশা অথবা হালকা বৃষ্টি হলে রাস্তায় পরে থাকা মাটি পিচ্ছিল হয়ে এসব রাস্তায় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা রয়েছে।
নয়াবাড়ি এলাকার নদী সিকস্তি জায়গা থেকে মাটি বানিজ্য করার বিষয়ে কথা হয়, জুয়েল, স্বপন ও মনিরের সাথে তারা বলেন, আমরা সাবেক মেম্বার বদরুদ্দিন (বদু) এর কাছ থেকে মাটি কিনে ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছি। এর আগে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমাদেরকে জরিমানা করা হয়েছিলো। জমির কাগজপত্র উপজেলায় জমা দিয়েছি এখন আর কোন সমস্যা নাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে খোলাপাড়া এলাকায় রুমি কোম্পানির নামে মাটি বানিজ্য করছে উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস। একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। তার ছেলে খোকন আকবর বলেন, মাটি ছাড়া তো ইট তৈরি হবেনা।
গোলাইডাঙ্গা এলাকার শফিক কোম্পানির ইটভাটা বর্তমানে পরিচালনা করছেন এ.কে.বি কোম্পানি। কোম্পানির ভাই পরিচয়ে বাবু বলেন, আমরা ঢাকা থেকে এখানে শফিকের ইটভাটা ভাড়া নিয়েছি। মাটি শফিক কোম্পানি কিভাবে দেয় সেটা বলতে পারবোনা। এবিষয়ে শফিক কোম্পানির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিংগাইর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুল কাইয়ুম খান, মাটি বানিজ্যের কোন সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে নয়াবাড়ি এলাকায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মাটি বানিজ্যের অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com