1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে থানায় এসে আত্মসমর্পণ স্বামীর।

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে
বরগুনার কলেজ রোডে স্ত্রীকে নিজ হাতে কুপিয়ে হত্যা করে থানা এসে আত্মসমর্পণ করেন স্বামী আবুল কালাম (৩৫)। পারিবারিক কোন্দলে প্রায় সংসারে জামেলা লেগে থাকতো। তার অবসান ঘটলো আসমা আক্তার পুতুলের মৃত্যুর মাধ্যমে। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বরগুনা পৌরসভার সরকারি কলেজের মহিলা হোস্টেল সংলগ্ন বাগান বাড়ি নামক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান  বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহত আসমা আক্তার পুতুল ৬নং কাজিরাবাদ ইউনিয়ন বকুলতলী গ্রামের মৃত মোঃ ইউনুস হাওলাদারের মেয়ে।  ২০১৩ সালে পূর্বালী ব্যাংকে পরিছন্নতা কর্মী পদে চাকরী করে। ২০০৮ সালে ইসলামী শরিয়াত মোতাবেক বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবেন তাহাদের ০২টি সন্তান আছে। মোসাঃ রাকা মনি(১৩) ও মোঃ রাফি(৪)। স্থানীয়দের তথ্য অনুসারে পারিবারিক জামেলার জন্য প্রায় সংসারে মারামারির ঘটনা ঘটতো। স্ত্রীর হাতের সোনার রুলি বিক্রি করেন স্বামী। স্ত্রী হাতের সোনার রুলি ফেরত চাইলে প্রায় সংসারে মারামারি ঘটতো এবং স্ত্রীকে ব্যাংকের চাকরি পাইয়ে দিতে তিনি টাকা পয়সা খরচ করেন। তবে পূর্বালী ব্যাংকে  চাকরি হলে বেতনের টাকা স্বামীকে দিতে রাজি হয়নি স্ত্রী আসমা। এসব নানা বিষয়  নিয়ে কালামের সঙ্গে আসমা আক্তারের প্রায় সময়ই মনোমালিন্য হত। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা পৌরসভার শহিদ স্মৃতি সড়ক বরিয়ালপাড়া নামক এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম আকনের ছেলে মোঃ আবুল কালাম আকন বরগুনায় শহিদ স্মৃতি নামে একটি এনজিও আছে। আসামীর উক্ত এনজিও ব্যবসা করে। পৌরসভার সরকারি কলেজের মহিলা হোস্টেল সংলগ্ন বাগান বাড়ি নামক এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। কালামের বাড়ির মালিক মোঃ রাসেল বলেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে কালাম তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে আমার বাসায় ভাড়া থাকতেন। তবে আমি তাদের মধ্যে কোনো ধরণের পারিবারিক কলহ দেখতে পাইনি। এমনকি প্রতিবেশী যারা আছে তারাও দেখেনি। রাতে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে খবর পেয়ে বাসায় এসে দেখি আসমা আক্তারকে মেরে আহত করে ঘর থেকে কালাম চলে গেছে। আসমার খালাতো ভাই আল-আমীন বলেন, প্রায় শুনতাম পারিবারিক কোন্দল। খবর শুনে বাড়ি থেকে ছুটে আসি আসি,আসার পর দেখি মাটিতে নিথর দেহ পড়ে আছে। পরবর্তীতে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। আমার বোনের হত্যার বিচার চাই। আসমার মেয়ে রাকা মনি বলেন, বাবা আমাকে ঘুমের ঔষুধ দিয়ে ঘুম পরিয়ে দেয়। লোকজন এসে আমাকে উঠায়। উঠে দেখি আমার মায়ের দেহ রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। এলাকার লোকজন হাসপাতাল নিয়ে আসে। এ বিষয় বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, আবুল কালাম নিজের স্ত্রীকে হত্যা করে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ফ্লোরে পড়ে থাকা আহত অবস্থায় আসমা আক্তারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। এছাড়াও আবুল কালামকে নিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে আবুল কালামকে জিজ্ঞেসাবাদ ও তদন্ত চলমান রয়েছে। বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল হালিম বলেন, স্ত্রীর চাকরির বেতন না দেয়ায় এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে ঘাতক স্বামী আবুল কালাম বর্তমানে ট্রমাটাইজ অবস্থায় থাকায় এই মুহূর্তে বেশি কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করা যাচ্ছেনা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com