প্রিয় সাংবাদিক বন্ধগণ, আসসালামু আলাইকুম। আপনারা জানেন আমি এই উপ-নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর বিগত ১২/০৩/২৬ তারিখে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরেছিলাম। কিন্তু নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততোই বিরোধী পক্ষ ধানের শীষ মার্কার লোকজন নির্বাচনী পরিবেশ অশান্ত করে তুলছে। বিএনপি দলীয় শাখারিয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতৃবৃন্দ আমার মহিলা কর্মী মাজেদা বেগমের বাড়ীতে দুইবার গিয়ে হুমকি দিয়ে হাত পা ভেঙ্গে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে, ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কামাল হোসেন, ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি সেক্রেটারি মিজানুর করিম মাসুদ আমার দলীয় কর্মীদেরকে বাড়ী বাড়ী গিয়ে প্রচারণা চালাতে নিষেধ করছে এবং খুন-জখমের হুমকি দিচ্ছে, ২০ নং ওয়ার্ডে আমার উঠান বৈঠক করার সংবাদ পাইয়া স্থানীয় যুবদল নেতা হাত কাটা শুস্তুর নেতৃত্বে সমাবেশ পন্ড করতে হুমকি ধামকি প্রদান করে এবং সমাবেশের পাশেই মাইক বাজিয়ে সমাবেশ পন্ড করে, এরুলিয়া এলাকায় আমার মহিলা কর্মী নাজনিন আক্তারকে বিএনপি দলীয় সন্ত্রাসী পোটল তার মহিলা বাহিনী দ্বারা মারধর করে, ফাপোঁড় এলাকায় আমার কর্মী নেছার উদ্দিনকে বিএনপি দলীয় সন্ত্রাসীরা হত্যার হুমকি দেয়। এছাড়া সমগ্র আসনে আমার ব্যানার, ফেস্টুন খুলে ফেলে ধানের শীষ মার্কার ব্যানার টাঙ্গিয়েছে। বিএনপি দলীয় প্রার্থী ও তার দলীয় নেতাকর্মী কর্তৃক প্রতিনিয়ত নানা ধরনের আচরণ বিধি লংঘন করে আসছে। তার বিরুদ্ধে আমি এ পর্যন্ত রির্টানিং অফিসার এবং অনুসন্ধান ও বিচারিক জজ সাহেবের নিকট মোট ১৫টি অভিযোগ দাখিল করেছি। প্রত্যেক অভিযোগের সহিত সচিত্র ভিডিও আছে। কিন্তু প্রশাসন এখন পর্যন্ত একটি অভিযোগের বিরুদ্ধেও দৃশ্যমান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আমার পূর্বের আশংকাই প্রতিফলন হতে যাচ্ছে, তা হলো আবার বগুড়ায় মাগুরা মার্কা নির্বাচন করা। ইতিমধ্যে আমি শুনতে পাচ্ছি যে, বিএনপি দলীয় প্রার্থী গোটা বগুড়া জেলা থেকে সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে ভোটের দিন কেন্দ্র দখলে নিয়ে ভোট ডাকাতি করবে। এমতাবস্থায় বগুড়া সদরের নির্বাচন সুষ্ঠ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে আমার দাবী হচ্ছে।
১। আচরণ বিধি লংঘনের অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ।
২। চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার।
৩। নির্বাচনের দিন প্রত্যেক ভোট কেন্দ্রে সি.সি ক্যামেরা বসানো।
৪। দলীয় প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ বাতিল।
৫। নির্বাচনের আগ থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ভোটের দিন সেনাবাহিনীসহ অধিক সংখ্যক আইনশৃঙ্খলাবাহিনী নিয়োগ করা।
সম্মানিত সাংবাদিক বন্ধুগন, আমরা চাই বগুড়া উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষ করতে প্রশাসন সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সেক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে সার্বিক সহযোগিতা থাকবে। আসুন আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজন করি।