1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের পরেও আলফাডাঙ্গায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি

বুখারী মল্রিক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে
সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের পরেও বাজারে হু হু করে বাড়ানো হচ্ছে চিনির দাম। ফলে বাড়তি দামে চিনি কিনতে ক্রেতার ভোগান্তি বাড়ছে। পাশাপাশি গত সপ্তাহের ছোলা,  ব্রয়লার মুরগিও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। রবিবার আলফাডাঙ্গা পৌরসভা, গোপালপুর, বেড়িরহাট,জাটিকগ্রাম হেলেঞ্চা বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
এরপর সরকারের পক্ষ থেকে চিনির দামের ব্যাপারে  কোনো সাড়া দেওয়া না হলেও ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে চিনির দাম বাড়িয়ে বিক্রি শুরু করেছেন।
রবিবার উপজেলার বিভিন্ন  খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১৪৫-১৫০  টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। আলফাডাঙ্গা পৌরবাজারে নিত্যপণ্য কিনতে আসা মো. সালাউদ্দিন বলেন, এক কেজি চিনি কিনতে যদি ১৪৫-১৫০ টাকা ব্যয় করতে হয়, তাহলে অন্যান্য পণ্য কি করে কিনব। চিনির মতো অন্যান্য পণ্যের দামও আকাশচুম্বি। যে যেভাবে পারছে দাম বাড়িয়ে আমাদের জিম্মি করে ফেলছে। দেখারও যেন কেউ নেই।বানা বাজারে নারগিচ সুলতানা বলেন,আগে ১৪০ টাকা করে কিনতাম,আজ বাজারে  দোকানদার ১৫০ টাকা চেয়েছে কয়েক দোকান ঘুরে ১৫০ টাকা দরে দুই কেজির যায়গায় এক কেজি কিনলাম।ঘোষণা ছাড়া এ ভাবে দাম বাড়ালো প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
পৌর বাজারের মুদি পাইকারী বিক্রেতা পলাশ কুন্ডু বলেন, মহাজনেরা চিনির  দাম বেশি নিয়েছে বাধ্য হয়ে আমাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।আগে বস্তা ৬৭৫০-৬৭৮০ টাকা, প্রতিকেজি ১৩৫-১৩৬ টাকা নিতো খুচরা ১৪০ টাকা বিক্রি করতাম।এখন৭০০০ টাকা বস্তা প্রতি কেজি ১৪০ টাকা দাম ধরছে ১৪৫ টাকা বিক্রি করছি।
পৌরবাজারে পাইকারী বিক্রেতা মেসার্স পাল স্টোর প্রো. সুজিত পাল বলেন, মহাজনরা আমাদের কাছে বাড়তি দামে চিনি সরবরাহ করছে। গত শনিবার কেবি ট্রেডার্স কানাইপুর ৬৯০০ বস্তা,কেজি ১৩৮ টাকা অডার নিয়েছে। আমাদের বেশি দামে কিনতে হওয়ায় বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।
গত শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি মেসার্স হাবিল ট্রেডার্স সহস্রাইল বাজারের মহাজনের এক মেমোতে দেখা যায় প্রতি বস্তা ৭০০০ টাকা অর্থাৎ এক কেজি ১৪০ টাকা দরে দাম ধরেছে।
হাবিল ট্রেডার্স  বলেন,প্রতিদিন চিনির দাম নির্ধারণ করে ডিও মানে ডিলার। চাহিদা মতে বাজার ডিও ছাড়ে না,বাজর ক্রাইসেস করে দাম বাড়িয়ে দেয়।সরকার ডিও’র বাজার মানে ডিলার মালিক নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সরকার নির্ধারিত দামে  ভোক্তা চিনি পাবে ।তা না হলে কেন ভাবেই  সম্ভব নয়।এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমীন ইয়াছমীন কে বার বার অফিসিয়াল  নাম্বার ফোন। দিলে তিনি রিসিভ করেননি।
প্রসঙ্গ পবিত্র রমজান মাসের আগে সরকারি মিলের লাল চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানো ঘোষণার দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর তা বাতিল করা হয়েছে।২২ শে ফেব্রুয়ারি  দুপুরে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার স্বাক্ষরে এক চিঠির মাধ্যমে এক কেজির প্যাকেটজাত লাল চিনির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ১৬০ টাকা। আগে এ দাম ছিল ১৪০ টাকা।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গত বৃহস্পতিবার দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেয়। রাতে এ সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার বা বাতিল করেছে বিএসএফআইসি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com