৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হতে স্থানীয় যুবদল কর্মী নাজিম উদ্দীন প্রকাশ গালকাটা নাজিম ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। একের পর এক নীরিহ লোকজনকে হামলা, চাঁদাবাজি,বাড়ী ঘর লুট পুকুরের মাছ চুরি হতে শুরু করে এমন কোন কাজ নাই যে তার দ্বারা সংঘটিত হচ্ছে না। সে নিজেকে স্থানীয় বিএনপি নেতা নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এর লোক পরিচয় দিয়ে এই ধরনের কাজ করেই যাচ্ছে। তাকে দমানোর যেন কেউই নেই এলাকায়। ২০২৩ সালে একটি ইয়াবা ব্যবসার লেনদেন নিয়ে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার উপরে প্রতিপক্ষ গ্রুপ আক্রমন করেছিলো। বিষয়টিকে দলীয় মোড়কে চালিয়ে দিয়ে নিজেকে ত্যাগী ও যোগ্য নেতা প্রমান করতে মরিয়া হয়ে উঠে। চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে দেখতে নুরুল আমিন চেয়ারম্যান যায় এবং অনেকটা বুকে টেনে নিতে দেখা যায়। যদি নাজিমের মাতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার দায়িত্বে এখনও রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নাজিম ৫ আগষ্টের পর হতে এখন পর্যন্ত ১২ টি মোটরসাইকেল ছিনতাই করেছে এবং সে বর্তমানে নিজ জিম্মায় রেখে কয়েকটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বামনসুন্দর বাজারের বিএনপিপন্থী একজন ব্যবসায়ী জানান, এমন পরিস্থিতি এই বাজারে কোনদিনও ছিলো না। আওয়ামী লীগ আমলেও আমরা সাচ্ছন্দ্যে ব্যবসা বাণিজ্য করেছি। চাঁদাবাজি কোনদিনও ছিলো। বর্তমান সময়ে নাজিম, যুবদল নেতা জসিম, ওয়ার্কশপ কারিগর কামরুলের নেতৃত্বে এই বাজারে কেউই নিরাপদ নয়।বাজারে অবস্থিত যুবলীগ কর্মী তারিফ খানের পুকুরের মাছ লুট করেছে এই সিন্ডিকেট। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টিম এসে তাদেরকে গ্রেফতার করে জোরারগঞ্জ থানাকে বুঝিয়ে দিয়েছিলো। তারপর দিন জামিনে বের হয়ে আরো বেপরোয়া উঠে এই নাজিম বাহিনীর নাজিম।
প্রায় ব্যবসায়ী তাকে চাঁদা দিয়ে বাজারে ব্যবসা করতে হচ্ছে জানিয়ে বাজারের একজন মাছ ব্যবসায়ী জানান, কিছুদিন পূর্বে তার দাবিকৃত পাঁচ হাজার টাকা না দেওয়ায় চড় থাপ্পর মারা হয় তাকে। মিজান ক্লথ স্টোরের মালিক মিজানুর রহমানের কাছে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্মৃতি ডেকারেশনের মালিক ইউপি সদস্য খোকনের কাছ থেকে মোটরসাইকেল দাবি করেছে এই নাজিম।