1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরাকে অতিরিক্ত জনসমাগমে পিছিয়ে গেল খামেনির দাফন সুরা বাকারার ২৯ নম্বর আয়াত আমল করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী সমালোচনার মুখে নিজেকে ‘লুকিয়ে’ ফেললেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারি বন্ধ কলকারখানা চালু করে ফের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী রূপগঞ্জে ১,১০৭ বোতল স্ক্যাপ সিরাপ উদ্ধার, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার মাননীয় মন্ত্রী, ভালো উত্তর দিতে পারলে আপনিও জান্নাতে যেতে পারবেন: স্পিকার গৃহস্থলী প্রদর্শনী পুকুরে উপকরণ বিতরণ করেছে শিবগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অফিস উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ সিরাজগঞ্জে বিদ্যুৎহীন ‘সলঙ্গা কেন্দ্রীয় গণপাঠাগার’ বেরোবির কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন

দীর্ঘ ১,৫১,৫৩৬ দিন পর নিজদেশে জননেতা তারেক রহমান

Miah Suleman
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে
৫ই আগস্টের পরপরই যদি তারেক রহমান দেশে ফিরতেন, তাহলে দৃশ্যপটটা হয়তো একেবারেই ভিন্ন হতো। তখন চারদিকজুড়ে ছিল ইউনুস বন্দনার জোয়ার। নোবেল লরিয়েট, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা, সুশীলতার মোড়কে মোড়ানো “উদ্ধারক” গল্প—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সময়ের নায়ক। সেই আবহে তারেক রহমান আসলে গৌণ চরিত্রে পরিণত হতেন—এ কথা তিনি নিজেও ভালোভাবেই জানতেন।কিন্তু রাজনীতিতে সময়ই আসল অস্ত্র।
তারেক রহমান জানতেন, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা কতটা দুরূহ। ইতিহাস বলে, তথাকথিত “অরাজনৈতিক” বা সুশীল সরকারের মোহ খুব দ্রুতই কাটে। বাস্তবতাও ঠিক সেটাই দেখিয়েছে।আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের গুঞ্জন, জনজীবনের নিরাপত্তাহীনতা, মবোক্রেসির উত্থান, জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে ব্যর্থতা—এসব এখন আর গোপন অভিযোগ নয়, প্রকাশ্য আলোচনার বিষয়।
যারা একসময় পাঁচ বছরের জন্য এই ব্যবস্থাকে সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন, তারাও এখন পিছিয়ে আসছেন। মানুষের উপলব্ধি ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে—নোবেল লরিয়েট হওয়া আর একটি জটিল রাষ্ট্র চালানো এক জিনিস নয়। সুশীল মুখ নয়, দরকার রাজনৈতিক সরকার, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা।
ঠিক এই ভাঙনের মুহূর্তেই এল সেই ঘোষণা—তারেক রহমান আসছেন। এরপর যা ঘটেছে, তা এক কথায় রাজনৈতিক বিস্ফোরণ। দেশের মিডিয়ার টকশো থেকে শুরু করে সংবাদ শিরোনাম, ফেসবুক টাইমলাইন থেকে চায়ের দোকানের আড্ডা—সবখানেই একটাই আলোচনা: তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন। তিনি হয়তো এই মুহূর্তে সরাসরি কিছু করতে পারবেন না। ক্ষমতা তার হাতে নেই, প্রশাসনও নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো—মিডিয়া তাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, সাংস্কৃতিক অঙ্গন তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে, প্রায় সব রাজনৈতিক দলই যেন নীরবে তাকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই মেনে নিয়েছে।
এটা কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নয়, কিন্তু এক ধরনের অঘোষিত স্বীকৃতি। এই অর্জনটা তাকে অন্য সবার চেয়ে কয়েক আলোকবর্ষ এগিয়ে দিয়েছে। রাজনীতিতে অনেক সময় দেরি করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত হয়ে দাঁড়ায়। ছয় মাস আগে তিনি এলে এতটা উত্তাপ, এতটা ক্রেজ, এতটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতো না—এ কথা এখন অনেকেই স্বীকার করছেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, এটি আবেগের রাজনীতি নয়, এটি নিখুঁত সময়জ্ঞান। রাজনীতির দাবার বোর্ডে হয়তো এখনো খেলা শেষ হয়নি, কিন্তু এই চালটা নিঃসন্দেহে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com