রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় নাজমুল নামের এক যুবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)-কে উদ্দেশ্য করে একটি খোলা বার্তা দিয়েছেন। ওই বার্তায় তিনি সময় হলে ইউএনওকে তাঁর ডায়েরির পাতা উল্টে দেখার অনুরোধ জানান।
নাজমুল তাঁর পোস্টে দাবি করেন, ইউএনওর ডায়েরিতে তাঁর দেওয়া দুটি অভিযোগকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। তবে তাঁর মতে, অভিযোগ দুটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যেই উত্থাপন করা হয়েছে।
খোলা বার্তায় নাজমুল প্রথমেই গোয়ালন্দ উপজেলায় নির্বিচারে মাইকিং ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জরুরি প্রশাসনিক নির্দেশনা ও ধর্মীয় কারণে (কোনো মানুষের মৃত্যু সংক্রান্ত ঘোষণা) মাইকিং প্রয়োজন হলেও, বিজ্ঞাপনমূলক ও অপ্রয়োজনীয় মাইকিং নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও শব্দমাত্রা (সাউন্ড লিমিট) নির্ধারণের দাবি জানান তিনি, যাতে শব্দদূষণ কমে এবং সাধারণ মানুষ স্বস্তি পায়।
দ্বিতীয় দাবিতে নাজমুল শুষ্ক মৌসুমে গোয়ালন্দ বাজার ও আশপাশের সড়কে অতিরিক্ত ধুলোবালির সমস্যা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বাজার ও সড়কে চলাচল আরও সহজ হবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাজমুলের উত্থাপিত বিষয়গুলো গোয়ালন্দ উপজেলার দীর্ঘদিনের বাস্তব সমস্যা। এসব বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে মনে করেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল জনস্বার্থে উত্থাপিত এসব দাবিকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।