1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

৭মার্চ বগুড়ায় বঙ্গবন্ধু মুর‍্যালের উদ্বোধন

ফাহিম মাহাদী
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া জেলা প্রশাসক চত্বর বটতলায় নির্মিত বঙ্গবন্ধু’র মুর‌্যাল দৃষ্টি কাড়বে নতুন প্রজন্মের তরুন-তরুনীদের। প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে মুর‌্যালটি নির্মান করছে বগুড়া জেলা পরিষদ। আগামী ৭মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষনের দিনে ম্যূারালটি উদ্বোধন করা হবে।

জানা যায়, উত্তরাঞ্চলের রাজধানীখ্যাত ও বানিজ্যিক শহর বগুড়ায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের চত্ত্বরে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল না থাকায় বটতলায় অস্থায়ীভাবে মুর‌্যাল বানিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হতো। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস জানানোর জন্য মুর‌্যালটি নির্মানের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। গত বছরে এ বিষয়ে একটি জরুরী সভা হলে সেখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় মুর‌্যালটি নির্মানের। প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে মুর‌্যালটি নির্মান কাজ শুরু করে বগুড়া জেলা পরিষদ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নির্মান কাজ শুরু করা হয়। শেষ হবে আগামী মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে। মুর‌্যালটি দৃষ্টিনন্দন করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। যা নির্মানের পর নতুন প্রজন্মের দৃষ্টি কাড়বে। সকল স্তরের মানুষ এখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির জনকের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রর্দশন করবেন এই প্রত্যাশায় নির্মিত। যুগ যুগ ধরে এই মুর‌্যাল স্বাক্ষী দেবে বাংলাদেশের স্থাপতি শেখ মুজিবুর রহমান। যার জন্মে বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে। নতুন প্রজন্ম জানবে বাংলাদেশ সৃষ্টির গৌবরময় ইতিহাস।
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী রামিশা রহমান জানান, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্মৃতিকে চির স্মরণীয় করে রাখতে মুর‌্যালটি নির্মাণ করা হচ্ছে। যা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যার মাধ্যমে আমরা দেশের এবং বঙ্গবন্ধুর ইহিতাস সম্পর্কে জানতে পারবো। এটি দৃষ্টি কাড়বে নতুন প্রজন্মদের।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম শাহনেওয়াজ জানান, আগামী ৭ই মার্চে যেন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন সেজন্য দ্রুত নির্মান কাজ চলছে। তবে এই সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন না হলে আগামী ১৭ মার্চের আগে সকল কাজ সম্পন্ন করা হবে। প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে জেলা প্রশাসক চত্বর বটতলায় নির্মান করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু মুর‌্যালটি। তবে নির্মান ব্যয় বাড়তেও পারে। বটতলায় সুনিবিড় ছায়ায় মুর‌্যালটি নির্মানের পর দৃষ্টি কাড়বে নতুন প্রজন্মদের।
বগুড়া জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর মুর‌্যাল স্থাপনের মধ্য দিয়ে বগুড়ায় এক নতুন যুগের সূচনা হবে। মুর‌্যালটি নির্মানের মধ্যদিয়ে বগুড়ার যারা নতুন প্রজন্ম রয়েছেন তারা স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ও বঙ্গবন্ধুর কথা জানতে পারবেন। মুর‌্যালটি নির্মানের জন্য কয়েক মাস ধরে চেষ্টা চলছে। অবশেষে সেটি বাস্তবায়ন হয়েছে। বর্তমানে নির্মান কাজ চলছে। আশা করা যায় আগামী ৭ মার্চের আগেই নির্মান কাজ সম্পন্ন হবে। ৭মার্চ ও ১৭ মার্চ এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com