সম্প্রতি জামায়াত আমীরের একটা বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন প্লাটফর্ম এ চলছে আলোচনা, সমালোচনা। তিনি বলছেন জামায়াত ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন করবেন না। কারণ গনতান্ত্রিক এই দেশে চাইলেও এই মুহুর্তে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না।ইসলামি মূল্যবোধ মানুষের মধ্যে তৈরি না হলে ম্যাজিকের মতো শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।
সংবাদের গুরুত্বপূর্ণ লাইনঃ যার কারণে বলা হয়েছে, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে অমুসলিমদের উপর শরীয়াহ আইন চাপিয়ে দিবেনা বা জোর জবরদস্তি করে প্রয়োগ করবে না।
”তিনি বলেন; সন্তানের মতো আগলে রাখবেন ছোট সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীদের।
আর যারা মুসলিম তারা যদি ব্যক্তিগতভাবে স্বপ্রণোদিত না হয় বা ইসলামি অনুশাসন মানতে না চান তবে তার উপরও জোর করে শরীয়াহ আইন প্রয়োগ করবে না।
তবে জামায়াত মনে করে, ইসলামি অনুশাসন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুসরন করার মাঝেই আছে ইহকালীন কল্যান ও পরোকালীন মুক্তি। জামায়াত মনে করে ব্যক্তির নৈতিক মান উন্নয়নে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলার বিকল্প নেই। খোদাভীরু একজন মানুষ অন্যের উপর জুলুম করেনা। আত্মগঠন কর্মীগঠন ও নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য জামায়াত সবসময় ফরজ ওয়াজিব মেনে চলে। জামায়াত বিশ্বাস করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সর্বপর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।আর সৎ নেতৃত্ব তৈরিতে জামায়াত ইসলামী জীবন বিধান তার নেতাকর্মীদের অনুকরন ও অনুসরণ করতে উৎসাহিত করে।
জামায়াতের এই বিশ্বাসকে জোর করে রাষ্ট্রে বসবাসরত সকলের উপর চাপিয়ে দিতে চায় না। কারন ইসলামের বিধান চাপিয়ে দেয়ার জন্য আসেনি। ইসলামের বিধানের সুফল যুগে যুগে দাওয়াত দানের মাধ্যমে সম্প্রসারনের জন্য এসেছে।