1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরিয়ায় ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রাঁর হোটেলের কাছে বোমা বিস্ফোরণ বান্দরবানে পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা, নাফাখুমে আটকা ৮৭ জন সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত আমাদের দেশে উৎপাদিত ওষুধ উচ্চমানের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলেছে ‘নিহত’ ঘোষণা করা সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে! এনসিপির সমাবেশে হামলায় প্রশাসন জড়িত, অভিযোগ জামায়াতের এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায় ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

পুড়ল ঘাম ঝরানো সঞ্চয়, ছাইস্তূপে শুধুই অক্ষত পবিত্র কুরআন

​এস এম এ রউফ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

তীব্র শীতের সন্ধ্যায় যখন সবাই ঘরের উষ্ণতা খুঁজছিল, ঠিক তখনই এক নিমিষের আগুনে নিঃস্ব হয়ে গেল একটি শ্রমজীবী পরিবার। খুলনার কয়রা উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুন কেড়ে নিয়েছে ইটভাটা শ্রমিক জাহাঙ্গীর মোল্লার তিল তিল করে জমানো স্বপ্ন। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে দিশেহারা পাঁচ সদস্যের এই পরিবারটি। তবে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও অলৌকিকভাবে অক্ষত রয়ে গেছে ঘরে থাকা পবিত্র কুরআন শরীফটি।
​গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের দেয়াড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত জাহাঙ্গীর মোল্লা ওই এলাকার জোনাব আলী মোল্লার ছেলে। ​প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, সন্ধ্যার রান্না শেষ করে ভাতের হাঁড়িটি চুলার ওপর রেখেছিলেন জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নারগিস বেগম। হঠাৎ করেই সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করলেও মুহূর্তেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কয়রা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আসবাবপত্র, পোশাক-পরিচ্ছেদ এবং ঘরটি ভস্মীভূত হয়ে যায়।
​কান্নাজড়িত কণ্ঠে নারগিস বেগম বলেন, “ইটভাটায় কাজ করে জমানো নগদ ৬০ হাজার টাকা ছিল ঘরে। আগুনের ঝটকায় কিছুই বের করতে পারিনি। চোখের সামনেই সব পুড়ে বাষ্প হয়ে গেল। এখন পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই আমাদের।”
​আগুনের ভয়াবহতায় ঘরের টিন ও আসবাবপত্র কঙ্কালসার হয়ে গেলেও স্থানীয়রা অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করেন, ঘরের ভেতর থাকা পবিত্র কুরআন শরীফটির একটি হরফও আগুনে পোড়েনি। আগুনের তাণ্ডবে সব ছাই হয়ে গেলেও কুরআনের এই অক্ষত রূপ দেখে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
​স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান বলেন, “পরিবারটি চরম দুর্ভোগে পড়েছে। হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে জমানো টাকা আর ঘর হারিয়ে তারা এখন পাগলপ্রায়।” এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল জাবির জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজ নেওয়া হয়েছে এবং জরুরি সরকারি সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com