1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলেছে ‘নিহত’ ঘোষণা করা সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে! এনসিপির সমাবেশে হামলায় প্রশাসন জড়িত, অভিযোগ জামায়াতের এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায় ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক

বরিশাল-৫ : নির্বাচনে জামাতের অনুগ্রহ নয়, নায়েবে আমীরকে ফেল করানোর নীলনকশা

Md Necar Uddin
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
বরিশাল-৫ আসনে যা ঘটছে, তা সাধারণ কোনো নির্বাচন-রাজনীতি নয়; বরং এটি একটি সচেতন, পরিকল্পিত এবং লক্ষ্যভিত্তিক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রের মূল লক্ষ্য একটাই—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীরকে পরাজিত করা।
এই আসনে জামায়াত যে জিতবে না—সে বাস্তবতা তারা নিজেরাও ভালোভাবে জানে। মাঠের রাজনীতি বলছে, বরিশাল-৫ এ প্রকৃত লড়াই হবে হাতপাখা ও ধানের শীষের মধ্যে। এই সমীকরণ স্পষ্ট বুঝেই জামায়াত এখানে একটি নীলনকশা বাস্তবায়নে নেমেছে।
প্রথম ধাপে তারা প্রার্থী দিয়ে “ভালো থাকার” অভিনয় করছে। দ্বিতীয় ধাপে, উপযুক্ত সময় বুঝে প্রার্থী প্রত্যাহার করে বিএনপির প্রার্থীকে সরাসরি সমর্থন দেওয়ার প্রস্তুতি—এটাই পুরো নাটকের শেষ দৃশ্য।
এই রাজনৈতিক চালের পেছনে অন্তত তিনটি মৌলিক কারণ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
প্রথমত, যেখানে জামায়াতের বাস্তব কোনো সম্ভাবনা নেই, সেখানে তারা এই মুহূর্তে অর্থ ও সাংগঠনিক শক্তি ব্যয় করতে চায় না। রাজনৈতিক হিসাব তাদের কাছে আদর্শের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে।
দ্বিতীয়ত, খালেদা জিয়ার তৈরি করা রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলতে চায় জামায়াত আমির। সেই সূত্রেই বিএনপির পরামর্শে হাতপাখার উত্থান ঠেকানোর এই পরিকল্পনা। এটি আর গোপন কিছু নয়।
তৃতীয়ত—এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—জামায়াতের একটি বড় অংশের কর্মী ও নেতৃত্ব ইসলামী আন্দোলনের প্রতি যে বিদ্বেষ পোষণ করে, তার চেয়েও বেশি বিদ্বেষ তারা পোষণ করে শায়খে চরমোনাইয়ের প্রতি। এটি আদর্শিক মতপার্থক্যের চেয়েও ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ঈর্ষা থেকে উৎসারিত।
এখন প্রশ্ন হলো—এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে কেউ কি সত্যিই বিশ্বাস করে, বরিশালে জামায়াতের কর্মীরা নায়েবে আমীরকে ভোট দেবে?
আরও একটি বিষয় লক্ষণীয়।
সমঝোতা চলাকালীন সময়ে একাধিকবার মিডিয়ায় অভিযোগ ওঠার পরও জামায়াত প্রার্থী প্রত্যাহার করেনি। অথচ সমঝোতা ভেঙে যাওয়ার পর হঠাৎ করে প্রার্থী ছেড়ে দেওয়া—এটা কি নিছক রাজনৈতিক ভদ্রতা? নাকি এর পেছনে রয়েছে সুদূরপ্রসারী উদ্দেশ্য?
প্রশ্নগুলো কঠিন, কিন্তু উত্তরগুলো ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
এই বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে বলা যায়—
রাজনীতিতে অন্ধ বিশ্বাস আত্মঘাতী।
আর বারবার প্রতারিত হওয়ার পরও যারা বিশ্বাসযোগ্যতার মুখোশ পরে থাকে, ইতিহাস তাদের মুনাফিক হিসেবেই চিহ্নিত করে।
পীর সাহেব চরমোনাই আর এই বাস্তবতা না বুঝলে, সেটা হবে রাজনৈতিক নয়—ঐতিহাসিক ভুল।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com