1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনির শোকযাত্রায় দেখা মিলেছে ‘নিহত’ ঘোষণা করা সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদকে! এনসিপির সমাবেশে হামলায় প্রশাসন জড়িত, অভিযোগ জামায়াতের এনসিপির জনসভায় হামলা রাজনীতির জন্য একটি কালো অধ্যায়: ইশরাক হোসেন বেগম খালেদা জিয়া বেতনের টাকা দিয়ে দিতেন এতিমখানায় ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক

নেত্রকোনার তেঁতুলিয়ায় লুত মিয়া ও দয়াল গংদের অবৈধভাবে জমি দখলের পাঁয়তারা

মোঃমিনারুল ইসলাম (জেলা প্রতিনিধি,নেত্রকোনা)
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে
দিন দিন বেড়েই চলছে ভূমি সংক্রান্ত মামলা মোকদ্দমা। নাইবদের অবহেলা ও ছলচাতুরি প্রতিবেদনে জমি হারিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন জমির বৈধ নিরীহ মালিকানারা । নেত্রকোনা সদর উপজেলায় মদনপুর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া মৌজায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া গ্রামের প্রভাবশালী কুচক্রী মহলের যোগসাজশে অবৈধভাবে জমিতে অনুপ্রবেশ করে জবরদখলের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে তেঁতুলিয়ার লুত মিয়া, দয়াল ও কামরুল মেম্বার গংদের বিরুদ্ধে । প্রায় দুই শতাধিক প্রবীণ লোকজনের সঙ্গে কথা বলে সরেজমিনে এর সত্যতা পাওয়া গেছে ।
দীর্ঘ দিন ধরে অভিযুক্তরা বিভিন্ন কায়দায়
জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে সম্প্রতি ভূক্তভোগী ওয়ারিশান বন্টননামা রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা ও সুধীজনেরা তেঁতুলিয়া মাজার প্রাঙ্গণে এলাকায় সামাজিক দরবার সালিশের আয়োজন করে। গ্রামের দরবার সালিশে স্পষ্ট করে স্বীকার করে প্রকাশ্যে অভিযুক্ত ভূমিদস্যু তেঁতুলিয়া গ্রামের মৃত রহিম খাঁর ছেলে লুত মিয়া, মৃত হাসেম খাঁর ছেলে দয়াল ও মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে কামরুল মেম্বার বলেন ,  ৯০২ নং দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ জমির মালিকানায় আমাদের কোন প্রকার অংশীদারিত্ব নেই , আমারা এই সম্পত্তির মালিক না । জমিদারি প্রথা জোতে ভোগদখলীয় দলিলমূলে ভোগদখলীয় মালিকানা প্রাপ্ত আছে জাফর খাঁর উত্তরাধিকারীরা । বি আর এস. এ যেহেতু কিছু অংশ নতুন তিন দাগে ৪ একর ১৫ শতাংশ খাস ১ নং খতিয়ানে চলে যাওয়ায় এলাকাবাসী হিসেবে এই জমির প্রকৃত মালিকদের কাছে চেয়েছিলাম।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছে  ভূক্তভোগী অভিযোগকারী মাসুদ খান বলেন , ৯০২ দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ জমির ওয়ারিশান বন্টননামা রেজিস্ট্রিকৃত ভোগদখলীয় দলিলমূলে মালিকানা আমাদের। তৎকালীন জমিদারি প্রথা জোতমূলের দলিল ও সি.এস. মূলে রেজিস্ট্রিকৃত ভোগদখলীয় মালিকানা প্রাপ্ত হই এবং আমাদের দখলে রয়েছে ।
মদনপুর ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম এর দায়িত্বহীন
অবহেলা ও ছলচাতুরির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ।
নাইব সাহেব নতুন তিন টি দাগের  আংশিক অংশের ৪ একর ১৫ শতাংশ খাস খতিয়ানে চলে যায় উল্লেখ না করে পুরো টা অংশ উল্লেখ করায়
আমাদের জমি হারানোর হয়রানিতে ফেলেছে । ইতোমধ্যেই মহামান্য হাইকোর্টের সংশোধনে আবেদনের মাধ্যমে শরণাপন্ন হলে মহামান্য হাইকোর্ট নেত্রকোনা জেলার কোর্টে সংশোধনে আমলে নিয়ে সংশোধন করতে নথিপত্রাদি প্রেরণ করা হয়েছে।
মাসুদ খান আরো বলেন , তৎকালীন জমিদারি প্রথা জোতমূলের দলিল ও সিএস. মূলে রেজিস্ট্রেশন কৃত দলিলমূলে মালিকানা আমাদের রয়েছে । আশাকরি কোর্টে সংশোধনের আদেশের মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার পাব । নাইবদের অস্কারায় দুর্বৃত্ত ভূমিদস্যুরা কিছু দিন আগে লুত মিয়া, দয়াল গংরা
আমাদের পুকুর থেকে জোড় পূর্বক দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায় এতে করে এলাকায় চরম চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যেকোনো সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে । এই পরিস্থিতিতে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ।
অভিযোগকারী মাসুদ খান মালিকানা প্রাপ্ত নিয়ে আরো বলেন , জমিদারি প্রথা জোতমূলে ও সিএস. দলিলমূলে মালিকানা প্রাপ্ত হন জাবর খাঁর ছেলে বাহরাম খাঁ পরবর্তীতে বাহরাম খাঁর ছেলে এজারত খাঁ ।এজারত খাঁর ৮ পুত্র যথাক্রমে আব্দুর রাশিদ খাঁ, জিলু খাঁ, আব্দুল মান্নাফ খাঁ, জমশেদ খাঁ, ইদ্রিস খাঁ,আবুন খাঁ, খুরশিদ খা ও আক্কাস খাঁ । ৯০২ এর ৬:৩৮ এ যার দাগ নং ১৯০৬,২৩৭৬,২৩৭৭,২৩৭৮,
২৩৭৯ ।
অন্য আরেকটি দাগে অন্য
বিআরএস. এ আংশিক অংশের বাহরাম খাঁর আরেক পুত্র আলকত খাঁর অংশেও সিএস. এসএ. বিআরএস.এ ৫:১৫ একর জমির উল্লেখ আছে যেখানে ৯০২ দাগের ১০ একর ৮০ শতাংশ উল্লেখ আছে । এবং নতুন দাগে  এজারত খাঁর ৮ ছেলের নাম উল্লেখ আছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান যেন তাদের ভূমি ফিরে পেয়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।
এলাকার দুই শতাধিক প্রবীণ লোকজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান প্রকৃত মালিকদের কাছে জমি তুলে দিয়ে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে। যাতে আর কোন ব্যক্তি অন্যের জমি ভোগ করার সাহস না পায়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com