1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার! লালমোহনে দুই ব্যবসায়ীর উপর হামলা ও টাকা ছিনতাইর অভিযোগ

বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যশোর-৩-এর এমপি অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

মোঃ জুম্মান হোসেন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে
যশোর-৩ আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিকেলে তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সকাল ১০টার দিকে সংসদ ভবনে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। পরে জানা যায়, বিকেলে বঙ্গভবনে মন্ত্রী হিসেবে তাঁর শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে দেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে তিনি ভূমিকা রাখবেন বলে দলীয় সূত্রে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
যশোরে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। স্থানীয় নেতারা বলেন, অমিতের নেতৃত্বে যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বিকশিত হবে। বিশেষ করে যশোর বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তুলনামূলক তরুণ নেতৃত্বকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে তা সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার ও প্রজন্মগত পরিবর্তনের বার্তা বহন করে। এখন দেখার বিষয়, দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি কত দ্রুত সময়ের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিতে পারেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com