1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন, শিক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রী মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ পিরোজপুরে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: বছরব্যাপী নানা আয়োজনের ঘোষণা গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য মোতায়েন; নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা আত্রাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে শিশু ধর্ষণ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ অভিযুক্ত গ্রেফতার, এলাকায় বিক্ষোভ ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে সংস্কার ও উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার চিত্র জুলাই শহীদ স্মরণে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি না থাকায় জামায়াতের উদ্বেগ পায়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন কলি রানী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছেন শাহবাজ শরিফ

ভোলায় নিখোঁজ হওয়া ৩ মাসের শিশু উদ্ধার; ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকের জিম্মায় প্রদান

মোঃ ছোটন 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮৯ বার পড়া হয়েছে
গত ২৫/০২/২০২৬ ইং তারিখ সকাল ১০:৪৫ ঘটিকায় মোসাঃ সুমাইয়া আক্তার (৩০), স্বামী-আব্দুল রউফ চাকলাদার, সাং-দক্ষিণ চরপাতা, তার ৩ মাসের শিশু জিন্নাতকে টিকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মালের হাট বাজার টিকা কেন্দ্রে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি দাবি করেন যে, দুইজন অজ্ঞাত মহিলা তাকে ২০০ টাকার নোট তার হাতে দিলে তিনি অস্বাভাবিক হয়ে যায় এবং তার নিকট থেকে শিশুটিকে নিয়ে যায় মর্মে স্থানীয় সাংবাদিকেদের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়া যায়।
উক্ত সংবাদ প্রাপ্তি পর ভোলা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার) মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও অফিসার ইনচার্জ, ভোলা সদর থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ভোলা সদর থানা ও ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম তাৎক্ষণিক আশপাশ এলাকায় চিরুনি অভিযান ও চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি শুরু করে। এছাড়া বরিশাল রেঞ্জের বিভিন্ন লঞ্চঘাটসহ ভোলা জেলার ইলিশা লঞ্চ ঘাট থেকে ঢাকাগামী সকল লঞ্চ ঘাটে আবহিত করা হয়।
তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ হেফাজতে সুমাইয়া আক্তারকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা দেয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সুমাইয়া আক্তার স্বীকার করেন যে, তার খালা আমেনা বেগমের মেয়ের কোনো সন্তান না থাকায় তিনি স্বেচ্ছায় শিশু জিন্নাতকে দত্তক দিতে রাজি হন। লোকচক্ষুর অন্তরালে বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই তিনি এই ‘অপহরণের নাটক’ অবতারণ করেন।
তদন্তের একপর্যায়ে জানা যায় যে, সুমাইয়া আক্তারের খালা আমেনা বেগম শিশুটিকে নিয়ে একই দিন ঢাকার উদ্দেশ্যে দুপুর ১৪:০০ ঘটিকায় ‘দোয়েল পাখি-১০’ লঞ্চে রওনা হন। সেই সূত্র ধরে পুলিশ তাৎক্ষণিক লঞ্চ স্টাফদের সাথে কথা বলে লঞ্চকর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমেনা বেগম ও শিশুটিকে আলাদা রাখা হয়।
উক্ত বিষয়ে কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হলে কোস্টগার্ড সদস্যরা দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে উপস্থিত হয়ে আমেনা বেগম ও শিশুটিকে তাদের হেফাজতে নেয়।
পরবর্তীতে ভোলা সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম দ্রুততম সময়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় এবং কোস্টগার্ডের হেফাজতে থাকা আমেনা বেগম ও জিন্নাতকে জিম্মায় নিয়ে ভোলায় ফিরিয়ে আনা হয়।
নিখোঁজ শিশু জিন্নাতকে ভোলা সদর মডেল থানার জিডি মূলে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকের জিম্মায় প্রদান করা হয়।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিশু জিন্নাতকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার ও রহস্য উন্মোচন করায় স্থানীয় সাধারণ জনগণ ভোলা জেলা পুলিশের উপর গভীর আস্থা ও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com