মোঃফেরদাউছ মিয়া,পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা)
প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে ফিরে এসেছে নতুন উদ্যম ও গতিশীলতা। শেখ জাবের আহামেদ-এর দক্ষ, দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তর এখন অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় অধিক সক্রিয়, সুশৃঙ্খল ও জনমুখী হয়ে উঠেছে।
২৩ অক্টোবর ২০২৫ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি উপজেলা প্রশাসনের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। নিয়মিত দপ্তর পরিদর্শন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ সরাসরি গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা—এসব উদ্যোগে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এতে করে ফাইল নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি, সেবার সময়সীমা কমে আসা এবং নাগরিক ভোগান্তি হ্রাস পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।
বিশেষ করে সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার কঠোর পরিশ্রম, সূক্ষ্ম পরিকল্পনা ও কার্যকর নেতৃত্ব পলাশবাড়ীতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্বাচনের পূর্বপ্রস্তুতি থেকে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল প্রক্রিয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখেন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিতকরণ, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, নির্বাচনী সরঞ্জাম যথাসময়ে বিতরণ এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ফলে পুরো প্রক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য। তার দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে ভোটার, প্রার্থী ও রাজনৈতিক মহলে প্রশাসনের প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বাজার মনিটরিং, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযানে তার সক্রিয় উপস্থিতি প্রশংসিত হয়েছে।
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, ভেজালবিরোধী অভিযান এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির তালিকা হালনাগাদে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করায় উপকারভোগীরা সরাসরি সুফল পাচ্ছেন।
এদিকে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ,
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নেও এসেছে নতুন গতি।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত তদারকি,
স্বাস্থ্যসেবায় সমন্বয় সভা এবং কৃষকদের প্রণোদনা কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনকে আরও কার্যকর করা হয়েছে। ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, অনলাইন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি এবং ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ফলে সাধারণ মানুষ এখন হয়রানিমুক্ত ও দ্রুত সেবা পাচ্ছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শীতার্ত ও অসহায়দের সহায়তা বিতরণ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তার সরাসরি সম্পৃক্ততা উপজেলা প্রশাসনকে আরও মানবিক ও জনগণের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে তিনি অংশগ্রহণমূলক ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছেন।
সচেতন মহলের মতে, শেখ জাবের আহমেদের আন্তরিকতা, কর্মদক্ষতা ও মানবিক নেতৃত্বের ফলেই পলাশবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের প্রতিটি দপ্তরে যেন অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক চর্চা শক্তিশালী করতে তার এই সফল নেতৃত্ব আগামীতেও পলাশবাড়ীকে এগিয়ে নিয়ে যাবে—এমনটাই প্রত্যাশা শুধীজনসহ সর্বমহলের।