1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন, শিক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রী মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ পিরোজপুরে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: বছরব্যাপী নানা আয়োজনের ঘোষণা গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য মোতায়েন; নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা আত্রাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে শিশু ধর্ষণ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ অভিযুক্ত গ্রেফতার, এলাকায় বিক্ষোভ ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে সংস্কার ও উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার চিত্র জুলাই শহীদ স্মরণে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি না থাকায় জামায়াতের উদ্বেগ পায়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন কলি রানী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছেন শাহবাজ শরিফ

কুড়িগ্রামে যে ব্রীজে নজর নেই প্রশাসনের, ভোগান্তিতে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ

রেজাউল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের জামতলাপাড়া থেকে কচুয়ারপাড়া–মাদাইখাল সংযোগ সড়কে নির্মাণাধীন ডুবুরীরখাল ব্রিজটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পুনর্নির্মাণ না করায় দুই পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।

সরকারি কোনো উদ্যোগ না থামোঃকায় গ্রামবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ভাঙা ব্রিজের ওপর কাঠের পাটাতন বসিয়ে সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করা হলেও দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একটি নতুন ও টেকসই ব্রিজ নির্মাণের দাবি যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কানে পৌঁছাচ্ছে না।

জানা গেছে, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে একই স্থানে পরপর দুটি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল। স্বল্প বাজেট ও নিম্নমানের কাজের কারণে নির্মাণের দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই বন্যার সময় তীব্র স্রোতে ব্রিজ দুটি ভেঙে যায়। ২০০৬ সালে সর্বশেষ নির্মিত ব্রিজটি ২০০৮ সালের বন্যায় বিধ্বস্ত হওয়ার পর আর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে দুই পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ বিশেষ করে বন্যা ও বর্ষা মৌসুমে চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন।

এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হাসেম আলী জানান, ব্রিজটি দিয়ে ঠিকমতো হাঁটাও সম্ভব হয়নি। অসুস্থ রোগী কিংবা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নিতে হলে কয়েক কিলোমিটার ভাঙা রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। ঝুঁকিপূর্ণ পাটাতনের ওপর দিয়ে অটোরিকশা চলাচল করতে পারে না। ফলে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, সার, ধান-চাল পরিবহনে চরম সমস্যায় পড়তে হয়।

কৃষক রমেশ চন্দ্র বলেন, আমরা এমন এলাকায় বসবাস করি যেখানে প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন করা খুবই কঠিন। বন্যার সময় কাঠের পাটাতনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে—যেকোনো সময় উল্টে যেতে পারে। অনেক শিক্ষার্থী এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু পার হয়ে কষ্ট করে স্কুলে যাতায়াত করে। এখানে একটি টেকসই ব্রিজ নির্মাণ হলে আমাদের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে।

বিষয়টি নিয়ে ভিতরবন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি জানান, ২০০৬ সালে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছিল। স্বল্প বাজেট ও নিম্নমানের কাজের কারণে এটি বন্যায় ভেঙে পড়ে। তিনি এখানে একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, ধসে পড়া ব্রিজটি নতুনভাবে নির্মাণ করা হলে জামতলাপাড়া ও কচুয়ারপাড়া এলাকার কয়েক হাজার মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল থাকবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com