1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন, শিক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রী মানব ইতিহাসের সর্ববৃহৎ জানাজার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান, অংশ নেবে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষ পিরোজপুরে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন: বছরব্যাপী নানা আয়োজনের ঘোষণা গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় আনসার সদস্য মোতায়েন; নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের প্রত্যাশা আত্রাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে শিশু ধর্ষণ: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাসহ অভিযুক্ত গ্রেফতার, এলাকায় বিক্ষোভ ভোলা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে সংস্কার ও উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে উপজেলার চিত্র জুলাই শহীদ স্মরণে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি না থাকায় জামায়াতের উদ্বেগ পায়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন কলি রানী খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছেন শাহবাজ শরিফ

চঁদপুরের বিল্লাল চাচা বিনা পারিশ্রমিকে ৩০০ জনকে কবরস্থ করেছেন

মো আতিক হাসান
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে
সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে ৩০৮ জনকে কবরস্থ করেছেন চাঁদপুরের বিল্লাল হোসেন খান। খবর পেলেই ছুটে যান এবং কবর খুঁড়ে নিজের মনে আত্মতৃপ্তি পান ৬৬ বছরের এই বৃদ্ধা। তার বয়স যখন ১৬ ছিলো তখন থেকেই এ কাজ শুরু করেন তিনি।
১৩ মার্চ শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে এ কথা নিশ্চিত করেন বিল্লাল হোসেন খান নিজেই।
তিনি জানান, টিপরাদের সাথে আমি জাদু বান টোনার কাজ করতাম। এক দিন হাজীগঞ্জের বড় মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে যাই। তখন সেজদা দিতে পারছিলাম না। তখন মসজিদের তৎকালীন ইমাম আমাকে বিনা পয়সায় কবর খুড়ার পরামর্শ দেন। আর সে থেকেই এ কাজ শুরু করি। ডায়রিতে লিখে হিসাব রাখতাম এ পর্যন্ত কতোটি কবর খুড়লাম আমি। যদিও এখন ডায়েরিটাও আগুনে পুড়ে গেছে।
জানা যায়, বিল্লাল হোসেন খান হচ্ছেন চাঁদপুর পৌরসভার ১৩নং ওয়ার্ডের বাহের খলিশাডুলী এলাকার বাসিন্দা। তিনি ১৯৬০ সালের ৯ নভেম্বর জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা হচ্ছেন ইদ্রিস খান। বর্তমানে তার ২ ছেলে ও ১ সন্তান নিয়ে তিনি দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন।
বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে বয়সের ভারে এখন আর কবর খুড়ার কাজ করিনা। তবে মানুষ ডাকলে এখনও ছুটে যাই। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিরাপত্তা প্রহরীর কাজ করতাম। কিন্তু সেখান থেকেও আমি অবসর নিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, কবর খুড়তে গিয়ে অনেক অলৌকিত ঘটনার আমি সাক্ষী হয়েছি। আমার জীবনে কবর খুঁড়তে গিয়ে কোন মাপ লাগে না।চোখের দৃষ্টিতেই বুজি কবর টা আমাকে কিভাবে খুড়তে হবে। মানুষ আমাকে এ কাজে দোয়া করে এটাই আমার জীবনে চলার পথের শক্তি।
বিল্লাল হোসেন তার ইচ্ছে সম্পর্কে বলেন,আমার এ কাজে কোনভাবে কোন স্বীকৃতি পেলে মনে আনন্দ পেতাম। এখন নামাজ পড়ি আর কোনভাবে অভাব অনটনে সংসার চালাচ্ছি। কেউ যদি সাহায্য সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসে তাহলে আমি তা গ্রহণ করবো।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com