1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

ইরানের পুলিশের গুলিতেই বিধ্বস্ত মার্কিন শক্তিশালী হারকিউলিস

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে ইরান। গত ৩ এপ্রিল ইরানে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন এফ-১৫ জেটের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করতে গেলে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসি আজ রোববার (৫ এপ্রিল) জানায়, ইসফাহানে ভূপাতিত হওয়া মার্কিন বিমানটি ছিল একটি সি-১৩০ হারকিউলিস। এটি নিখোঁজ মার্কিন বিমান সেনাকে খুঁজে বের করার অভিযানে নিয়োজিত ছিল।

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ‘ফারাজ রেঞ্জার্স’ নামক একটি পুলিশ কমান্ডো ইউনিট বিমানটি ধ্বংস করেছে এবং এটি ছিল একটি সি-১৩০ ক্লাসের বিমান।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিমানটি ‘পবিত্র ভূমিতে অনধিকার প্রবেশকারী দুষ্ট আক্রমণকারীদের রসদ সরবরাহ করছিল।’

সি-১৩০ হারকিউলিসের কাজ কী

লকহিড সি-১৩০ হারকিউলিস হলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত বিশ্ববিখ্যাত চার ইঞ্জিনের টার্বোপ্রপ সামরিক পরিবহন বিমান। এটি মূলত কৌশলগত কার্গো বা মালপত্র পরিবহন, প্যারাট্রুপার ড্রপিং এবং জরুরি উদ্ধার অভিযানের জন্য পরিচিত।

১৯৫৪ সালে প্রথম উড্ডয়নের পর থেকে এটি সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে উৎপাদনে থাকা সামরিক বিমান, যা বর্তমানেও ৬০টির বেশি দেশে সক্রিয় রয়েছে।

সামরিক কৌশলগত এই পরিবহণ বিমানের প্রধান কাজ সৈন্য পরিবহন, কার্গো ড্রপ, বিমান থেকে চিকিৎসা অভিযান, দুর্যোগ ত্রাণ ও অগ্নিনির্বাপণ।

সূত্র: আল জাজিরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com