1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণের অভিযোগে কিশোর গ্রেপ্তার

মোঃ রুবেল খান
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের নাজিরপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিওচিত্র ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে জনি গাইন শান্ত (১৭) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  রোববার (১০ মার্চ) রাতে পালিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার গিলাতলা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত শান্ত গাইন উপজেলার শাঁখারীকাঠী ইউনিয়নের গিলাতলা গ্রামের মহিতোষ গাইনের ছেলে।

নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রোববার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।তে ধর্ষক ও তার সহযোগীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগী, ধর্ষক ও তার সহযোগী   উপজেলার গিলাতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষক ও ওই ছাত্রীর সহপাঠী একই এলাকার আশীষ বেপারীর ছেলে অন্তু ব্যাপারী দীর্ঘ দিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এতে সাড়া না দেওয়ায় গত ৭ ডিসেম্বর বিকেলে শান্ত গাইন তার বন্ধু অন্তু বেপারীর সহযোগিতায় ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে নিয়ে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ধর্ষণ করে।

এ সময় সহযোগী অন্তু মোবাইলের মাধ্যমে সেদৃশ্য ভিডিও ধারণ করে এবং এ ঘটনা কাউকে বললে হত্যার হুমকি দেয়। পরে বিভিন্ন সময় ধর্ষণের ভিডিও সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ফের কুপ্রস্তাব দিলে ভুক্তভোগী তাতে রাজী হয়নি। কিন্তু গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ওই ধর্ষণের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার তথ্য পান ভুক্তভোগীর পরিবার।ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, মামলা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রাতে অভিযুক্ত শান্ত গাইন ও তার বাবা মহিতোষ গাইন আমাদের বাড়িতে হামলা ও আমাকে মারধর করে।ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খালিদ হোসেন সজল বলেন, থানায় অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষক ও তার বাবা ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা এবং ওই ছাত্রীর বাবাকে মারধর করেছে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ধর্ষককে আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করে।এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শান্তর বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পলাতক থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com