1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

কেন্দুয়া গভীর রাতে বসতবাড়ি ও দোকানে হামলা

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

গভীর রাতে বসতবাড়ি ও দোকানে হামলা, ভাংচুড় ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের কালিয়ান গ্রামে। ঘটনার পর হুমকির মুখে তারা প্রশাসনের নিকট অভিযোগও দিতে পারছিলেন না।আজ রবিবার ক্ষতিগ্রস্তরা কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তাদের অভিযোগ, গত ০৭ আগস্ট রাত অনুমান ২ টার দিকে কালিয়ান গ্রামের জিয়া রহমানের বসতবাড়িতে রাজনৈতিক প্রতিহিঃসার কারণে একই গ্রামের আলী ইসলামের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জন লোক বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে বসত বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

জিয়া রহমানের স্ত্রী মজিদা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী যুবলীগের রাজনৈতির সাথে জড়িত আছেন। এজন্যই তারা আমাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এক পর্যায়ে তারা সুকেশের তালা ভেঙ্গে ব্যবসার জন্য রক্ষিত নগদ দুই লক্ষাধিক টাকা ও দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। হামলাকারীরা মজিদার শাশুড়ির বসত ঘরেও হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। মজিদার শাশুড়ি তাদের দোহাই দিলেও তারা বারি দিয়ে ডান হাতটি ভেঙ্গে ফেলে। যাবার সময় লক্ষ্যধিক টাকা ও একটি গাভী গরু নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন জিয়া রহমান।তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। আজ পালিয়ে পালিয়ে অভিযোগ দিতে এসেছি।

কারণ হামলাকারীরা বলেছেন, যদি প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জমা দেই তাহলে আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলবে এবং ভিটে ছাড়া করবে। এদিকে একই রাতে সোয়া ২ টার দিকে আবুল হোসেন মরিচপুর গ্রামের রুহুল আমিন (৩৫), গোলাপ মিয়া (৪৩), আবু হানিফ (৪২), অজ্ঞাতনামা আরও ৩০/৪০ জন আবুল হোসেনের দোকানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবুল হোসেন লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।তিনি দাবি করেন, তার দোকানে হামলা চালিয়ে ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। আবুল হোসেন জানান, তিনি ঘটনাটি কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন। সার, কীটনাশক, নগদ টাকাসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির বিচার দাবি করেন তিনি।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ তদন্ত করে সত্য প্রমাণিত হলে দূর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে আলী ইসলামের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com