1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

মির্জাপুরে সরকারি নলকূপ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

আব্দুস সাত্তার
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৪
  • ৫০৫ বার পড়া হয়েছে

টাংগাইলের মির্জাপুরে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত নলকূপ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।প্রতিটি নলকূপের সঙ্গে বরাদ্দকৃত পাইপসহ মালপত্র কম দেওয়া হচ্ছে।সোমবার সকালে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। জানা যায় ,সরকারিভাবে মির্জাপুর উপজেলায় পঞ্চম বরাদ্দের ৩৬২টি গভীর নলকূপ বিতরণ ও স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

প্রতিটি নলকূপের জন্য সুবিধাভোগীরা নিয়ম মোতাবেক ১০,৫০০/- টাকা করে সরকারি কোষাগারে ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিয়েছেন।ওই তালিকা অনুসারে সোমবার সকাল থেকে উপজেলা সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া সুবিধাভোগীদের মধ্যে নলকূপের মালপত্র বিতরণ করা হচ্ছিল।নিয়ম অনুযায়ী, মালপত্রের মধ্যে ৪ ইঞ্চি ১০০ ফুট ও ১০ ফুটের দুটি ফিল্টার,দেড় ইঞ্চি ২৮০ ফুট পাইপসহ ৪০০ ফুট,১০ ফুট সিলেকশন বালু, ৫৫০ পিস ইট, প্রয়োজন অনুযায়ী গোবর,৩০ ফুট সাদা বালু,৫ বস্তা সিমেন্টসহ প্রয়োজনীয় মালপত্র ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে নলকূপ স্থাপন করবে।এর সঙ্গে ১ হাজার লিটারের একটি পানির ট্যাংক ও এক ঘোড়া একটি মোটরও স্থাপন করার কথা।পরে নলকূপের চারপাশ পাকাকরণ ও ট্যাংক বসানোর জন্য ছয় ফুট উচ্চতার একটি হাউস নির্মাণ করার কথাও রয়েছে। মিস্ত্রিদের খাবার বিলও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বহন করার কথা।

কিন্তু উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী বাহার উদ্দিনের নির্দেশে মিস্ত্রি মেহেদী হাসান ও বিএস শ্রমিক মাদব চন্দ্র বিশ্বাস প্রতিটি নলকূপের সঙ্গে ৪০০ ফুট পাইপের স্থলে ৪ ইঞ্চি ৮০ ফুট, ১০ ফুটের দুটি ফিল্টার ও দেড় ইঞ্চি ২৫৫ ফুট পাইপ বিতরণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার সুবিধাভোগীরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর মির্জাপুর অফিসে এসে তা গ্রহণ করছেন এবং নিজ খরচে বাড়ি নিচ্ছেন।এ সময় সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে বকশিশের কথা বলে টাকাও নেওয়া হচ্ছে,এ ছাড়া প্রতিটি নলকূপের সঙ্গে ৩৫০ পিস ইট ও ৩ বস্তা সিমেন্ট দেওয়া হচ্ছে এবং সিলেকশন বালি, সাদা বালি, গোবর, পরিবহন খরচ ও মিস্ত্রিদের খাবার বিল সুবিধাভোগীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মিস্ত্রি মেহেদী হাসান ও বিএস শ্রমিক মাদব চন্দ্র বিশ্বাস জানান,অফিসার তাঁদের যেভাবে বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন সেভাবেই বিতরণ করা হচ্ছে।মালপত্র নিতে আসা বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান বলেন,আমরা জানতাম না ৪০০ ফুট পাইপ বরাদ্দ,এখন জেনেছি।অনেককেই সকাল থেকে চার ইঞ্চি ৮০ ফুট, দেড় ইঞ্চি ২৫৫ ফুট ও ১০ ফুটের দুটি ফিল্টার দেওয়া হয়েছে।জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের মির্জাপুর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মো. বাহার উদ্দিন বলেন,আমি বাহিরে আছি,পরে কথা বলব।এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ নুরুল আলম সংবাদকর্মীকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।টাংগাইলের জেলা প্রশাসক মো.কায়সারুল ইসলাম বলেন,দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com