1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

শেরপুরে জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের কবর জিয়ারত করলেন ছেলে ওয়াফীসহ ভক্তরা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ৭৬১ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের কৃতি সন্তান জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল শহীদ আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ আগস্ট শুক্রবার বাদ জুম্মা তার ছেলে মুহাম্মদ হাসান ইমাম ওয়াফীসহ শহীদ মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ভক্ত, আত্মীয়-স্বজন কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

শহীদ কামারুজ্জামানের ছেলে মুহাম্মদ হাসান ইমাম ওয়াফী অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সদ্য পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের নামে এক প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে এবং কতিপয় মানুষ দ্বারা মিথ্যা স্বাক্ষী সাজিয়ে ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল মাসে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারী জেনারেল ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন নেতা আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন।

পরে তাকে শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের শহীদ কামারুজ্জামানের প্রতিষ্ঠিত কুমরী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাশে তাকে কবর দেয়া হয়। এরপর আওয়ামী লীগ সরকারের দমন নীতির কারণে পরিবারের লোকজনসহ অন্যান্যরা তার কবর আনুষ্ঠানিকভাবে জিয়ারত করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর শুক্রবার ছেলে মুহাম্মদ হাসান ইমাম ওয়াফীসহ দেড় সহস্রাধিক মানুষ শহীদ কামারুজ্জামানের কবর আনুষ্ঠানিকভাবে জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। মোঃ জজ মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ শেরপুর জেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান। এসময় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ শেরপুর সদর থানার সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মোঃ আঃ রহমান।

এসময় শহীদ কামারুজ্জামানের ভক্ত ও আত্মীয়-স্বজনের কান্নায় এক হৃদয় বিদারকের সৃষ্টি হয়। কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বেলায়েত হোসেন বেলাল, মোঃ রেদোয়ান ইসলাম, মোঃ হাদিউল ইসলাম, মোঃ শহীদুল ইসলাম, শিবলু মিয়া, আজাহার আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।অপরদিকে একই দিন দুপুরে জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল শহীদ আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ছেলে মুহাম্মদ হাসান ইমাম ওয়াফীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে শেরপুরে কোটা আন্দোলনে নিহত শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের তারাগর কান্দাপাড়া গ্রামের মিরাজ আলীর ছেলে আইটি উদ্যোক্তা শহীদ মাহবুব আলমের কবর জিয়ারত করেন। পরে তার পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com