1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

লালমনিরহাটে শ্রমিকদের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত- ১০লালমনিরহাটে শ্রমিকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য

রিয়াদ আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় লালমনিরহাট  জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের দুটি গ্রুপই নিজেদের বিএনপির শ্রমিক দলের নেতা কর্মী বলে দাবী করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের পুরনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর (২৪৯৩) বহাল রাখার দাবিতে শ্রমিক নেতা বাবলুর নেতৃত্বে একটি পক্ষ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, একই সংগঠনের অন্য পক্ষ নতুন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে সমাবেশ করছিল। দুই পক্ষেই বাসটার্মিনাল নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। যখন বাবলুর নেতৃত্বে মিছিলটি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পৌঁছায়, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষে রুপ নেয়। শুরু হয়ে যায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ উভয় শ্রমিক সংগঠনের উপর মৃদু লাঠি চার্জ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশ টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য, দুই সংবাদকর্মীসহ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। ঘটনার পর পরে রিজার্ভ পুলিশ এসে উভয়কে ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ও পরিবেশ শান্ত রয়েছে। জানমালের নিরাপত্তা ও হেফাজতে পুলিশ যেকোন পরিস্থিতিতে কঠোর হতে বাধ্য হবে বলেও তিনি জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com