1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

সখিপুরে তিন শিশু কন্যা সন্তান নিয়ে বিপাকে সেতু আক্তার

আবুল কাশেম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের সখিপুরে তিন শিশু কন্যা নিয়ে স্বামীর ঘরের সামনে অবস্থান নিয়েছেন সেতু আক্তার (২৭) নামের এক নারী। গত তিনদিন ধরে চলছে এই অবস্থান কর্মসূচি। স্বামী উজ্জল মিয়া (৩৫) নিজের ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ছে। রাতে এসে ওই নারীকে টেনে হিঁচড়ে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

এ সময় সেতু আক্তারের পড়নের কাপড়-চোপড় ছিড়ে যায়। গতকাল  শনিবার বিকেলে উপজেলার বেড়বাড়ী খন্দকারপাড়া ‌এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে ওই নারীকে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় অনশনরত দেখা গেছে। প্রতিবেশী, পরিবারের লোকজন, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১৬ বছর আগে উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে উজ্জলের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বাসাইল উপজেলার জামাল মিয়ার মেয়ে সেতু আক্তারের বিয়ে হয়। ইতোমধ্যেই তাঁদের ঘরে এসেছে ফুটফুটে তিনটি কন্যা সন্তান। গত চার মাস আগে পারিবারিক কলহের জেরে উজ্জল মিয়া তাঁর স্ত্রী সেতুকে ডিভোর্স দেন।

এই ঘটনায় সেতু আক্তার টাঙ্গাইল আদালতে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করেন। এতে স্বামী উজ্জল ডিভোর্স দেওয়া স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করবেন বলে ফুসলিয়ে মামলা তুলে বাড়ি ফিরে আসতে বলেন। স্ত্রী সেতু আক্তার বলেন, আমি বাড়িতে আসার পর আমাকে নানাভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। এই শীতের মধ্যে বাচ্চাদের নিয়ে ঘরের সামনে রাত কাটাচ্ছি। গতরাতে আমাকে সরানোর জন্য অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমি এখন বাবার বাড়িতেও ফিরে যেতে পারবো না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বছির উদ্দিন  বলেন, আমি চেয়ারম্যান মহোদয়কে নিয়ে বেশ কয়েকবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছি। মামলা থেকে জামিন পেয়ে উজ্জলের পাত্তাই পাওয়া যায়না। অভিযুক্ত উজ্জল মিয়ার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি  বলেন, আমার স্ত্রী মোবাইল ফোনে অন্য কারও সঙ্গে কথা বলে। জানতে চাইলে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, তিনমাস আগে ডিভোর্সের মাধ্যমে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়েছে। আইনত ওই মহিলা স্বামীর বাড়িতে থাকতে পারে না। তবে এ বিষয়ে সে আদালতে মামলা করতে পারে। ইতোমধ্যে ওই মহিলার স্বামী উজ্জল থানায় এসে অভিযোগ করেছেন। ওই মহিলাকেও থানায় আসতে বলা হয়েছে, বিষয়টি মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com