কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ১নং কাঠালবাড়ী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, মাদক মুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং জনবান্ধব মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে নিরলস ভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ৫ বারের সফল ইউপি সদস্য মোঃ ফিরোজ আক্তার দুলু।
তিনি বর্তমানে শিক্ষতার পাশাপাশি কাঠালবাড়ী ইউনিয়নের গরীব অসহায় জনগনের দুর্দিনের কান্ডারী হিসেবে জনসেবা ও সমাজসেবায় নিবেদিতপ্রাণ হিসেবে স্থানীয় তথা ইউনিয়নেরসর্বস্তরের মানুষের সুখে-দুঃখে অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
**রাজনৈতিক দর্শন: প্রতিহিংসার ( মুক্ত) রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না বলে কোন রাজনৈতিক দরের সাথে অন্তর্ভুক্ত নন। তাই এই আদর্শের এর মূল দর্শনের ভিত্তিতে শিক্ষকতার পাশাপাশি মোঃ ফিরোজ আক্তার দুলু এমন এক রাজনীতির স্বপ্ন দেখেন, যেখানে ‘প্রতিহিংসা’ বা ‘দলাদলি’র কোনো স্থান নেই। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি একটি সমাজকে স্থবির করে দেয়, আর এই রাজনীতি পরিহার করে সুস্থ রাজনীতি তথা পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রেখে নিরলস ভাবে কাজ করছেন যাতে, রাজনীতি সমাজকে আলোর পথে নিয়ে যায়।
৫বারের সফল ইউপি সদস্য মোঃ ফিরোজ আক্তার দুলু এর কথায়, *“রাজনীতি হতে হবে মানুষের কল্যাণে, কাউকে ছোট করার হাতিয়ার হিসেবে নয়। আমি প্রতিহিংসার বৃত্ত ভেঙে সাম্য ও ন্যায়এর ভিত্তিতে ইউনিয়ন গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক নির্ভয়ে নিজের কথা বলতে পারবে এবং ন্যায্য অধিকার পাবে।”*
তার রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য হলো–
‘জনগণের জন্য ন্যায়ের আলো প্রসারিত করা, কারো ওপর জুলুম নয়’। তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়ন পরিষদে যখন আইনের শাসন ও প্রতিষ্ঠিত হয়, তখনই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
**সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবায় অঙ্গীকার**
বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক এই দর্শনকে ধারণ করে ৫ বারের সফল ইউপি সদস্য মোঃ ফিরোজ আক্তার দুলু নির্বাচনী ইশতেহারে যে বিশেষ লক্ষ্যগুলো নির্ধারণ করেছেন:
** মাদক ও বাল্যবিবাহমুক্ত ইউনিয়ন:** তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ এবং বাল্যবিবাহ নির্মূলে ইউনিয়ন জুড়ে সামাজিক ও নৈতিক আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি।
* *সম উন্নয়নঃ উন্নয়নের নামে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা দলের আধিপত্য নয়, বরং প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রয়োজন গুরুত্ব অনুযায়ী পক্ষপাতহীন ও বৈষম্যহীন উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
* প্রতিহিংসামুক্ত সেবা কার্যক্রম:* ইউনিয়ন পরিষদকে সকল প্রকার হয়রানি ও প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত রাখা। সরকারি ভাতা, অনুদান ও আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে ‘যোগ্যতা’ ও ‘প্রয়োজনীয়তা’ হবে একমাত্র মাপকাঠি, দলীয় পরিচয় নয়।
* শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ:* মসজিদ,মন্দির, মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং মানুষের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধ পুনর্গঠনে কাজ করা।
*জনসাধারণের প্রত্যাশা*
স্থানীয়দের মতে, মোঃ ফরোজ আক্তার দুলু একজন নেতা যিনি ঘৃণা ও প্রতিহিংসাকে তুচ্ছ করে মানুষকে কাছে টানতে জানেন। তার মধ্যে যে ন্যায়পরায়ণতার গুণাবলি রয়েছে, ফলে কাঠালবাড়ী ইউনিয়নের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এলাকাবাসী মনে করছেন, তার এই ইতিবাচক মানসিকতা ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও স্থিতিশীল ও জনবান্ধব করবে।
**চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ ফিরোজ আক্তার দুলু এর বক্তব্য:
“সম্মানিত ১নংকাঠালবাড়ী ইউনিয়নবাসী, আসসালামু আলাইকুম। আমার কাছে রাজনীতি কোনো পেশা নয়, বরং মানুষের অধিকার আদায়ের একটি পবিত্র মাধ্যম। আমরা যুগ যুগ ধরে প্রতিহিংসার রাজনীতির ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। আজ সময় এসেছে সেই গণ্ডি থেকে বেরিয়ে আসার। আমার কাছে প্রত্যেক নাগরিক সমান। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমার প্রথম এবং প্রধান দায়িত্ব।”
কাঠালবাড়ী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।
জনসমর্থন, সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা এবং রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে কাঠালবাড়ী ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুর্নিতীপরিহার, শিক্ষা ও জনসেবার মানোন্নয়নের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আমি বিশ্বাস করি, আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা থাকলে একটি নিরাপদ,আধুনিক উন্নত ও জনবান্ধব কাঠালবাড়ী ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, *”আমি কোনো প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমার ইউনিয়ন পরিষদ হবে এমন এক শান্তির নীড়, যেখানে কোনো মানুষ তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না, আর কোনো সাধারণ মানুষ কারো প্রতিহিংসার শিকার হবে না। আমি আপনাদের দোয়া ও সমর্থন চাই, যাতে আমরা একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুন্দর, সুখী ও প্রতিহিংসামুক্ত কাঠালবাড়ী ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পারি। আল্লাহ আমাদের এই সৎ প্রচেষ্টায় সহায় হোন।”
ধন্যবাদ সেই সঙ্গে ১নংকাঠালবাড়ী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।




