1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

১৯৯৬ সালের ক্যালেন্ডারেই চলবে ২০২৪ সাল

আখিকুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৬০ বার পড়া হয়েছে

১৯৯৬ সালের ক্যালেন্ডার ধরে আপনি অবশ্যই ভাবছেন যে, এখন প্রায় ৩০ বছর বয়সী ক্যালেন্ডারে কী হচ্ছে। ১৯৯৬ সালের ক্যালেন্ডার যদি সংগ্রহে থাকে তবে তা বের করে নিন, কারণ এ বছর এটির প্রয়োজন হবে। আপনি এ বছরের জন্য ১৯৯৬ ক্যালেন্ডারটিও ব্যবহার করতে পারেন কারণ ১৯৯৬ এর মতো ২০২৪ একটি অধিবর্ষ।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ৯০-এর দশকের কিছু রিলিভার ১৯৯৬ এবং ২০২৪ এর ক্যালেন্ডারের তুলনা করেছে।বলা হচ্ছে, ১৯৯৬ সালের সঙ্গে ২০২৪ সালের অনেক মিল, দুই সনের ক্যালেন্ডারও একই। দুটি বছরেই ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনের।

অর্থাৎ লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষের বছর দুটি। আর দুটি বছরেরই সোমবার দিয়ে প্রথম দিন শুরু হয়েছে।
এ কারণে ১৯৯৬ সালের ক্যালেন্ডার চলতি বছরেও ব্যবহার করা যাবে – এমনটাই বলা হচ্ছে।
আর এ খবর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই ২৮ বছর আগের সেই পুরোনো ক্যালেন্ডারের সংগ্রহ শুরু করে দিয়েছেন।

কেউ মেলাতে চাইছেন বিষয়টি সত্যি কিনা! অনেকে অবশ্য ভারচুয়ালি মিলিয়ে ফেলেছেন।
আর এই সুযোগটি লুফে নিচ্ছে পুরোনো জিনিসপত্র বিক্রির সাইট ই-বে।

তারা ইতোমধ্যে ৫০ থেকে ২০০ ডলারে ১৯৯৬ সালের শত শত ক্যালেন্ডার বিক্রি করেছে। তাদের মতে, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে ১৯৯৬ সালের মতো এ বছরও সোমবার শুরু হয়েছে, এ বছর ফেব্রুয়ারিতে ২৯ দিন রয়েছে।

শুধু তাই নয়, ১৯৯৬ সালের মতো এ বছরও ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রের একটি মিল পাওয়া যাচ্ছে। দিন-তারিখ না মিললেও ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল। সপ্তম সংসদ নির্বাচনটি হয়েছিল সে বছরের ১২ জুন। জোট নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ, প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। বিরোধীদলের নেতা হন খালেদা জিয়া।

২০২৪ সালেও হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রোববার (৭ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন।
যতদূর স্পোর্টস সম্পর্কিত, ১৯৯৬ এর মতো, এ বছরও অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হবে, যদিও এ বছরের তারিখগুলো অতীতের থেকে আলাদা। এখন, যদি কারো কাছে ২৮ বছরের পুরানো ভিনটেজ ক্যালেন্ডার থাকে, তবে পুরানো স্মৃতিগুলোকে রোমন্থন করতে পারেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com