1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রংপুর হবে শস্য ভান্ডার, উলিপুরে দুলু

Md Rezaul Islam
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

।। জেলা প্রতিনিধি, কুগিগ্রাম,১৫ফেব্রুয়ারী,২০২৫।।
উলিপুরে তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও তিস্তা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে এক প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রংপুর অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে এবং এ অঞ্চলটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী এলাকায় পরিণত হবে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উলিপুরের থেতরাই ইউনিয়নের দড়ি কিশোরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ সভায় দুলু আরও বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রংপুরের মানুষকে আর ঢাকা, গাজীপুর বা চট্টগ্রামে কাজের সন্ধানে যেতে হবে না। তিনি রংপুরকে “শস্য ভান্ডার” হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সাবেক এই উপমন্ত্রী বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “তুমি তিস্তার পানি চাও নাকি গদি চাও?” এবং শেখ হাসিনা গদিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। দুলু দাবি করেন, তিস্তা তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষ সরকারকে ভোট না দেওয়ায় এ বিষয়ে সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই।

তিনি ভারতের সমালোচনা করে বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিরীহ মানুষ হত্যা করছে এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখল করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যে দেশ জুলাই আন্দোলনের পতিত সরকারকে আশ্রয় দিয়েছে, তারা কি আমাদের বন্ধু হতে পারে?” তিনি আরও যোগ করেন, পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী সেনাবাহিনীও বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের শক্তির প্রমাণ।

সভায় তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হায়দার আলী মিঞার সভাপতিত্বে ও সহকারী অধ্যাপক ওবায়দুর রহমান বুলবুলের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম জেলা সমন্বয়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, সহকারী অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, আব্দুর রশিদ, মহসিন আলী, নুর মোহাম্মদ ও সোলায়মান আলী সরকার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, তিস্তা নদীর তীরবর্তী রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলার ১১টি স্থানে ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com