1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

শূন্য রেখায় বিএসএফ এর কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা ও বিজিবি’র বাধা প্রদান

আরিফুল পল্লব
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩২৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নেত্রকোনার দুর্গাপুরের ভবানিপুর এলাকায় বিএসএফ শূন্যরেখা বরাবর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু করে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের খবরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি‘র) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাধা প্রদান করায় বেড়া নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে। বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ফারাংপাড়া ভবানিপুর বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জেলার দুর্গাপুর সীমান্তের ভবানিপুর ১১৫৬ নং সীমান্ত পিলারের কাছেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরের একটি সড়কের কিছু অংশ গত ২০২৩ সনের বন্যায় ভেঙ্গে নদীতে মিলিয়ে যায়। যে কারণে এদিকের মানুষের চলাচলের জন্য কিছুটা ভারতের শূন্যরেখা অংশের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। ফারাংপাড়া ভবানিপুর বিওপি পর্যন্ত একমাত্র ভাঙ্গা সড়ক ও ব্রিজটি র্দীঘদিনেও মেরামত বা নির্মাণ না হওয়ায় সীমান্তের বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির চলাচলের বিঘ্ন ঘটছে। গত ৫ আগস্টের পর থেকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কয়েকবার মানুষের চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে বলে স্থানীয়রা জানান। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বিএসএফ সীমান্ত পিলার ঘেঁষে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে স্থানীয়রা প্রথমে বাধা দেয়। পরে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) গিয়ে কথা বলে বিএসএফকে ফিরিয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্ধা কৃষক তোতা মিয়া বলেন, এই সমস্যার জন্য দায়ী সীমান্তবর্তী রাস্তা ও ব্রীজ নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান। প্রায় এক বছর ধরে রাস্তা নির্মান কাজ নিয়ে গড়িমশি করছে ঠিকাদার। আমাদের দেশের রাস্তা ও ব্রীজের কাজ চলমান থাকায় ভারতের সীমান্ত রেখার কয়েক গজ ভেতর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।
বেশ কয়েকজন স্থানীয়সহ বিজিবি সদস্যদের ভাষ্যমতে “আর্ন্তজাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী দুই দেশের সীমান্ত পিলার থেকে দেড়শ’ গজের মধ্যে ফসল চাষ ছাড়া স্থায়ী কোনো স্থাপনা কিংবা বেড়া দেয়ার কোন নিয়ম নেই। যার কারণে এই সীমান্তের উত্তর ফারাংপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাকা ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। কিন্তু বুধবার বিএসএফ সদস্যরা আর্ন্তজাতিক আইন ভেঙ্গে বেড়া নির্মাণ করতে আসে। জানতে পেরে তাদেরকে বাঁধা দিলে সেই বাঁধার মুখে কাজ না করেই ফিরে যায় বিএসএফ সদস্যরা।
এ ব্যাপারে ৩১ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস এম কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক কথা বলায় তাদের কাজ বন্ধ রেখেছে। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তের রাস্তাটি পাহাড়ি ঢলে দিন দিন সোমশ^রী নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। যে কারণে সীমান্ত পিলারের শূন্য রেখার ভেতর দিয়ে আমাদের দেশের মানুষের চলাচল করতে হয়। সড়ক ও ব্রিজের কাজটি বন্ধ না রেখে সম্পন্ন করে দিলে এই সমস্যা হতো না।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com