মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন সবজি ও মাছ বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে, মাছ-মাংস ও সবজির মূল্য আকাশচুম্বী। সরজমিন পরিদর্শনে, শহরের ইটেরপুল বাজার, পুরানবাজার,কুলপুদ্দী কাঁচাবাজার, শকুনি লেকে অস্থায়ী সবজি বাজার, চরমুগুরিয়া বাজার, মস্তফাপুর কাচাবাজার,গগনপুর বাজার,খাকদী বাজার ও ঘটকচর বাজার গুলোতে মাছ-মাংস ও সবজির মূল্য, সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে।এখানে প্রতি কেজি দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৭০০থেকে ৭৫০ টাকায় এছাড়াও সোনালী ৩৫০টাকা,লেয়ার ৩৭৫টাকা,কক ৩৬০টাকা ও বয়লার বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা দরে।খাশির মাংস ১২০০টাকা ও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়।দেশীয় প্রজাতির মাছ যেমন, কৈ,শিং,শোল,বোয়াল,ট্যাংরা প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০০ থেকে ১০০০টাকা দরে।ইলিশ মাছ নাগালের বাহিরে। একটু কম দামে বিক্রি হচ্ছে চাষের মাছ।চাষের কোন মাছই ২০০ টাকার নিচে বিক্রি করতে দেখা যায়নি।একই চিত্র সবজি বাজারেও।ঢেরশ ৫০টাকা,করলা ৮০ টাকা,শশা ৭০টাকা,গাজর ৬০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ৪০টাকা,বরবটি ৭০টাকা,পটোল ৬০ টাকা,কাচাকলা হালি প্রতি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেবল কমদামে বিক্রি হচ্ছে আলু,পিঁয়জ ও রসুন।নিত্যপন্যের এই উর্ধমূখী বাজারে সাধারন ক্রেতারা অসহায় হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাজার না করে বা আংশিক বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছে।কেউ কেউ আবার গুনগত মান কিংবা পুষ্টিমানের সাথে সমঝোতা করছে।বিক্রেতারা বলছে জ্বালানি সংকটের কারনে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে,ভরা ৃমৌসুমেও বেশি মূল্যে পন্য বিক্রি করতে হচ্ছে। গ্রাহরা বলছে সরকারি তদারকির অভাবে, বিক্রেতারা ইচ্ছে মত দামে পন্য বিক্রি হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি তদারকি বৃদ্ধি করলে দ্রব্য মূল্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে