1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’ সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান

মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

সঞ্জয় বাড়ৈ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুর শহরের বিভিন্ন সবজি ও মাছ বাজার গুলো ঘুরে দেখা গেছে, মাছ-মাংস ও সবজির মূল্য আকাশচুম্বী। সরজমিন পরিদর্শনে, শহরের ইটেরপুল বাজার, পুরানবাজার,কুলপুদ্দী কাঁচাবাজার, শকুনি লেকে অস্থায়ী সবজি বাজার, চরমুগুরিয়া বাজার, মস্তফাপুর কাচাবাজার,গগনপুর বাজার,খাকদী বাজার ও ঘটকচর বাজার গুলোতে মাছ-মাংস ও সবজির মূল্য, সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে।এখানে প্রতি কেজি দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৭০০থেকে ৭৫০ টাকায় এছাড়াও সোনালী ৩৫০টাকা,লেয়ার ৩৭৫টাকা,কক ৩৬০টাকা ও বয়লার বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০ টাকা দরে।খাশির মাংস ১২০০টাকা ও গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়।দেশীয় প্রজাতির মাছ যেমন, কৈ,শিং,শোল,বোয়াল,ট্যাংরা প্রকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০০ থেকে ১০০০টাকা দরে।ইলিশ মাছ নাগালের বাহিরে। একটু কম দামে বিক্রি হচ্ছে চাষের মাছ।চাষের কোন মাছই ২০০ টাকার নিচে বিক্রি করতে দেখা যায়নি।একই চিত্র সবজি বাজারেও।ঢেরশ ৫০টাকা,করলা ৮০ টাকা,শশা ৭০টাকা,গাজর ৬০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ৪০টাকা,বরবটি ৭০টাকা,পটোল ৬০ টাকা,কাচাকলা হালি প্রতি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেবল কমদামে বিক্রি হচ্ছে আলু,পিঁয়জ ও রসুন।নিত্যপন্যের এই উর্ধমূখী বাজারে সাধারন ক্রেতারা অসহায় হয়ে পড়েছে। অনেকেই বাজার না করে বা আংশিক বাজার নিয়ে বাড়ি ফিরছে।কেউ কেউ আবার গুনগত মান কিংবা পুষ্টিমানের সাথে সমঝোতা করছে।বিক্রেতারা বলছে জ্বালানি সংকটের কারনে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে,ভরা ৃমৌসুমেও বেশি মূল্যে পন্য বিক্রি করতে হচ্ছে। গ্রাহরা বলছে সরকারি তদারকির অভাবে, বিক্রেতারা ইচ্ছে মত দামে পন্য বিক্রি হচ্ছে। সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি তদারকি বৃদ্ধি করলে দ্রব্য মূল্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com