1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা

রাসেল মোল্লা
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে
 জেনারেটর আছে তেল নেই, আইপিএস আছে নেই তার ব্যাটারি। খাবার তৈরী ও বিতরণ এবং ঔষধ ব্যবস্থাপনাসহ হাজারো অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ৫০ শস্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিরুদ্ধে। প্রচন্ড গরমে রোগীদের আকুতি কিছুতেই যেনো পৌঁছাচ্ছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কানে। রয়েছে সেবিকা ও ওয়ার্ডবয়সহ ডাক্তারদের অবহেলার বিস্তর অভিযোগ। অথচ সরকারি সীমাবদ্ধতার দায়সাড়া উত্তর দিচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোড শেডিংয়ের সময়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবাহের জন্য একটি জেনারেটর এবং একটি আইপিএস রয়েছে। অথচ এতোকিছু থাকার পরেও বিদ্যুৎ বিরম্ভনায় ভূগছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা হতভাগা রোগীরা। গরমের তাপদাহে ঘন্টার পর ঘন্টা লোড শেডিংয়ে ভূগতে হচ্ছে তাদের। বিদ্যুতের অভাবে হাতপাখা দিয়ে শরীর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন অনেকেই। এদিকে, অন্ধকারে মোবাইল টর্চ জ্বালিয়ে সেবা নিতে দেখা যায় একাধিক রোগীকে। রয়েছে খাবার ও ঔষধ বিতরণে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। প্রতিদিনের খাবার ম্যানুতে যে মানের খাবার দেয়া কথা কার্যত সেগুলোর তোয়াক্কা করছেন না কেহ। ভর্তী রোগীরা ঠিকমত ঔষধ পাচ্ছেন না বলেও রয়েছে অভিযোগ। কম দামী ঔষধ পাওয়া গেলেও তুলনামূলক দামী ঔষধগুলো বাহির থেকেই কিনতে হয় রোগীদের। তবে, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সবকিছু ঠিকঠাক চলছে বলে দাবী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
পাখিমারা থেকে আগত রোগী সবুজ বলেন, প্রচন্ড গরমে সেবা নিতে এসে বিদ্যুতের অভাবে আরো অসুস্থ হয়ে পরছেন তিনি। দ্রুত হাসপাতাল থেকে চলে যাওয়ার মন্তব্য করেন তিনি।
অপর এক মহিলা রোগী অত্যান্ত আক্ষেপ করে বলেন, “এতো কষ্ট করে কেমনে থাহে হাসপাতালে? বিদ্যুৎ নাই, বাতি নাই। এতো সমস্যার মধ্যে কেমনে থাকে? রোগীর সাথে এসে তিনি নিজেই এখন রোগী হয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “একটু ঔষুধ দেয়না ঠিকমত। কোন ঔষুধই নাই, সব নাকি খালি হয়ে গেছে। এটা কেমন হাসপাতাল?”
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প:প: কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: বিকাশ রায় বলেন, গত দুই বছর ধরে জেনারেটরের ব্যাটারি অকার্যকর এবং সরকারিভাবে তেলের বাজেট না দেয়ায় জেনারেটরটি এখন বন্ধ রয়েছে। লোড শেডিংয়ের সময়ে জেনারেটরের বিকল্প হিসেবে আইপিএস চলমান থাকে। সেটার ব্যাটারিও হঠাৎ নষ্ট হয়েছে। অতিদ্রুত আইপিএস’র ব্যাটারি ঠিক করে হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। আপতত লোড শেডিংয়ের সময়ে এনাজিং সেভিং বাল্ব দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। তবে, খাবার ও ঔষধ বিতরনে অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com