1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’ সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান

সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা।
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার খোলেশখালী গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী মোড়ল (৮৬), পিতা মরহুম মোঃ কাদের বাক্স মোড়ল, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ এপ্রিল। তিনি তার স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরার চিকিৎসক ডা. গোলাম কিবরিয়ার কাছে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা দেন। পথিমধ্যে পাটকেলঘাটা এলাকার সাগদা ব্রিজে পৌঁছালে পিছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি ইজিবাইক তাদের বহনকারী ইজিবাইককে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি উল্টে যায়।

 আজ ২৬ শে এপ্রিল রবিবার ঘটনাটি জানা যায়। গাড়িতে চালকসহ মোট ছয়জন যাত্রী ছিলেন। অন্যান্য যাত্রীরা অক্ষত থাকলেও ইউসুফ আলী মোড়ল মারাত্মকভাবে আহত হন। দুর্ঘটনায় তার ডান হাত ভেঙে যায় এবং ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে।

দুর্ঘটনার পর তার বড় ছেলে মোঃ আব্দুল মুকিত ইকবাল (৫১) ও পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে সাতক্ষীরার স্বপ্না ক্লিনিকে ডা. হুমায়ুন কবিরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সেখানে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অর্থসংক্রান্ত বিষয় ও চিকিৎসা নিয়ে অসন্তোষের জেরে তারা ক্লিনিক ত্যাগ করেন।

পরবর্তীতে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে পরিবারের অভিযোগ, সেখানেও তারা কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। তাদের দাবি, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দুই দিন পার হলেও কোনো অভিজ্ঞ চিকিৎসক রোগীকে পর্যাপ্তভাবে দেখেননি। নার্সরা শুধুমাত্র কিছু ট্যাবলেট দিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তেমন কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

এছাড়া হাসপাতালের পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, বাথরুমসহ সামগ্রিক পরিবেশ অত্যন্ত নাজুক, যা রোগীদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ইউসুফ আলী মোড়লের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক না হলেও সন্তোষজনক নয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। আর্থিক সংকটের মধ্যেও তারা তার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

এ ঘটনায় পরিবারটি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা অভিযোগ করেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে, ইউসুফ আলী মোড়ল দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com