1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

সাভারে নারী কনস্টেবলকে পেটালেন বিএনপি নেতার ড্রাইভার

গোলাম রাব্বানী
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫
  • ৫০৯ বার পড়া হয়েছে

সাভারে ইতি খানম (৩৮) নামে এক নারী পুলিশ কনস্টেবলকে পিটিয়ে আহত করেছেন বিএনপি নেতার গাড়ি চালক। অভিযুক্ত সোহেল বাবু সাভার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান উল্লা’র ব্যক্তিগত ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত। রোববার দুপুরে সাভার পৌর এলাকার থানা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় নারী কনস্টেবলের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত ইতি খানম কালিয়াকৈর থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন। তিনি সাভার মডেল থানার ভেতরের কোয়ার্টারে পরিবার নিয়ে থাকেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কনস্টেবল ইতি খানম রিকশায় করে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন সাভার পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান উল্লা’র ড্রাইভার সোহেল বাবু। পরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ পালিয়ে যান অভিযুক্ত ড্রাইভার। আহত অবস্থায় ইতিকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। কনস্টেবল ইতি খানম জানান, তার ডিউটি ছিল কালিয়াকৈর থানায়। প্রতিবন্ধী বাচ্চাকে রেখে আসতে দেরি হওয়ায় রাস্তায় জ্যামে পড়েন। তাই রিকশা চালককে দ্রুত এক পাশ দিয়ে যেতে বলেন। এসময় সোহেল নামের ওই ড্রাইভারকে অনুরোধ করে একটু সাইট দিতে বলেন। পুলিশ কনস্টেবল পরিচয় দেয়ার পরও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সেই ড্রাইভার। এক পর্যায়ে গাড়ি থেকে লাঠি বের করে পেটানো শুরু করেন। তাকে বাধা দিলেও রিকশায় বসা অবস্থায়ই মারধর করতে থাকেন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে জানতে পারেন তার পায়ে ফ্যাক্সার হয়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাভার পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান উল্লা বলেন, ঘটনা শোনার পর আমাদের পক্ষ থেকেই ড্রাইভারকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি। ড্রাইভারের বিষয়টিতে আমাকে জড়ানোর ব্যাপারটি বিব্রতকর। সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল মিঞা বলেন, কালিয়াকৈর থানার কর্মরত ওই নারী কনস্টেবলের ওপর হামলার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com