1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

রত্নার হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন

কাউছার আহমেদ টিপু
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় মাদ্রাসা ছাত্রী হোসনে আরা রত্মা (১৪) হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচিত করেছে কসবা থানা পুলিশ। বুুধবার (২৪ জানুয়ারি) ১১টায় সংবাদ সম্মেলন করে,কসবা সহকারি পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের লিখিতভাবে এ তথ্য জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাজু আহাম্মেদ, ওসি ( তদন্ত) আবদুল বাসেত ও তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন।এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই নিজেরাই রত্মার মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। প্রতিপক্ষের রতন মিয়াসহ সাত জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় প্রধান আসামী রতন মিয়াকে আটক করেছিলো পুলিশ। বাদি পক্ষের লোকজনের আচরন, হত্যার আলামত ও তথ্য প্রযুক্তি পর্যালোচনা করে নিহতের পক্ষের ইমন চৌধুরী (৩৫) কে গত সোমবার (২১ জানুয়ারি) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে,পরে আদালতে প্রেরন করেন।
আদালতে ইমন ১৬৪ ধারায় হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করেন।ইমনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গত মঙ্গলবার শাক্কু মিয়াকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায়। পুলিশএ হত্যাকান্ডের সকল রহস্য উদঘাটনে তার বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন স্বীকারোক্তিকে ইমন জানান, রত্মা হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী কাবিলের গোষ্ঠির শাহাদত হোসেন শাক্কু মিয়ার (৬০) নেতৃত্বে গত (১০জানুয়ারি)  ভোররাতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নাসির মিয়ার কিশোরী মেয়ে হোসনে আরা রত্মাকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। এই হত্যাকান্ডে ৯ জন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।এক মাস আগের থেকেই পরিকল্পনা করা ছিল।
নিহতের পিতা নাসির মিয়া জানান, আমার মেয়েকে যারা-ই হত্যা করেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করছি।এদিকে জানা যায়, উপজেলার নিমবাড়ী গ্রামে দীর্ঘবছর ধরে চলছিলো কাবিলের গোষ্ঠি ও পান্ডবের গোষ্ঠির মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ।এই বিরোধকে কেন্দ্র করে (২০১৭ সালে) পান্ডবের গোষ্ঠির রহিজ মিয়া ও (২০২১ সালে) রহিজের বড় ভাই হত্যার প্রধান স্বাক্ষী ফায়েজ মিয়াকে হত্যা করে কাবিলের গোষ্ঠির লোকজন। এ নিয়ে দুটি হত্যা মামলা চলমান। চলতি মাসেই রহিজ হত্যার রায় হওয়ার কথাছিল।
ওই মামলার সাজা থেকে বাঁচতেই (১০ জানুয়ারি) ভোররাতে (১৪) বছর বয়সি কিশোরীকে নির্মমভাবে হত্যা করে শাহাদত হোসেন শাক্কুর নেতৃত্বে কাবিলের গোষ্ঠির লোকজন। পরে পান্ডবের গোষ্ঠির রতন মিয়াসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে নিহতের পিতা নাসির মিয়াকে দিয়ে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com