1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

মিঠাপুকুরে আন্তঃ জেলা গরু চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার

মোতাহার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

রংপুরের মিঠাপুকুরে আন্তঃ জেলা গরু চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার ও চুরির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র এবং একটি ট্রাক জব্দ করেছে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলার গড়ের মাথা এলাকায় তাদের আটক করা হয়।

আটক চোর চক্রের সদস্যরা হলো, বগুড়া জেলার মালগ্রাম পূর্বপাড়ার আজগর আলীর ছেলে সোহেল রানা (৩২), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চাপারগঞ্জ গ্রামের হামেদ আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (২৫), চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে রবি শেখ (২৭) এবং মাখতা পূর্বপাড়া গ্রামের মহব্বত মিয়ার ছেলে আব্দুর রহমান (২৫)।পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪টার দিকে আন্তঃ জেলা গরু চোর চক্রের সদস্যরা মহাসড়কে একটি ট্রাক রেখে মিঠাপুকুর উপজেলার ফকিরেরহাট সংলগ্ন হাড়ড়পাড়া গ্রামে ঢুকে কৃষক আতিয়ার রহমানের ঘর থেকে চারটি গরু চুরির চেষ্টা করার সময় গ্রামবাসী টের পেয়ে চোরদের ধাওয়া করেন। চোর চক্রের সদস্যরা নিজেকে বাঁচাতে দ্রুত মহাসড়কে রাখা ট্রাকে উঠে পালিয়ে গেলে লোকজন চিৎকার শুরু করেন। এসময় মিঠাপুকুর- ফুলবাড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে পেট্রোল ডিউটির দায়িত্বে ছিলেন এসআই ছাইয়ুম তালুকদার। তিনি চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে এলে বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-কে বিষয়টি অবগত করলে তিঁনি দ্রুত দিক-নির্দেশনার মাধ্যমে পুলিশের দুটি টিম রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের গড়েরমাথা নামক এলাকায় বেরিকেট দিয়ে ট্রাক ও চোর চক্রের সদস্যদের আটক করে থানায় নিয়ে যান।

মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। সংঘবদ্ধ এই আন্তঃ জেলা গরু চোর চক্রটির সাথে আরও কারা জড়িত আছে আমরা জানার চেষ্টা করছি।গরু চুরিসহ যেকোন অপরাধ দমনে আমরা জিরো টলারেন্স-এ আছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com