1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

সাংবাদিকের উপর পুলিশের হামলায় তদন্ত কমিটি: সাংবাদিক সংগঠনের নিন্দা

মোঃ মনিরুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে

দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ছবি তুলতে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মাজহারুলের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন দৈনিক সকালের কক্সবাজারের বার্তা সম্পাদক রাশেদুল মজিদ। গতকাল বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। এসময় সার্জেন্ট মাজহারুল সাংবাদিক রাশেদুল মজিদের মোবাইল ফোন ও পত্রিকার পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেন এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনায় কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান কে প্রধান করে এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। কক্সবাজার জেলা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোঃ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা একান্তই তার ব্যক্তিগত। কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায় পুলিশ নেবেনা। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত এ বিষয়ে জড়িত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হামলার শিকার সাংবাদিক রাশেদুল মজিদ জানান, কলাতলী মোড়ে যানজট, অবৈধ পার্কিং এবং ট্রাফিকের একজন পুলিশ কর্মকর্তার অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহকালে তিনি সার্জেন্ট মাজহারুলের হাতে হামলার শিকার হয়েছেন।

এদিকে এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মাজহারুলের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবি সংগঠন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। এছাড়া আমরা কক্সবাজারবাসী নামের একটি সংগঠন এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তির দাবি জানিয়েছে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক জাহেদ সরওয়ার সোহেল। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ের মধ্যে সাংবাদিক রাশেদুল মজিদের উপর হামলাকারী পুলিশ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে আরেক বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইলেকট্রনিকস মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আহসান সুমন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com