1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় ডেঙ্গু রোগী মৃত্যু ঝুকিতে

মোঃ শাহজালাল
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ৪৮৮ বার পড়া হয়েছে

বরগুনায় ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। তবে বরগুনার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) নেই। হাসপাতালে থাকা আইসিইউ সুবিধাসংবলিত অ্যাম্বুলেন্সটিও অকেজো। এতে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের পর অবস্থা গুরুতর হওয়া রোগীদের ঝুঁকিপূর্ণভাবে বরিশাল বা ঢাকায় পাঠানো হয় সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সেই। এতে রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়ছেন স্বজনেরা।
বরগুনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ না থাকায় প্রতিদিন ডেঙ্গুতে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে। অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুর ঘটনাও।
বরগুনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় ডেঙ্গু রোগীদের গুরুতর অবস্থা সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে মুমূর্ষু রোগীদের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন আইসিইউ বিশিষ্ট হাসপাতালগুলোতে রেফার করেন। বরগুনায় আইসিইউ সুবিধাযুক্ত অ্যাম্বুল্যান্স থাকলেও তা নষ্ট হয়ে হাসপাতালের গ্যারেজে পড়ে রয়েছে। সাধারণ অ্যাম্বুল্যান্সে যাত্রাপথেই অনেক রোগীর মৃত্যু হয়।
বরগুনার সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বরগুনায় ২ হাজার ৬৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। বরগুনা জেলায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত মোট ২৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন।
বরগুনা জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হলে দ্রæত সময়ের মধ্যে আইসিইউ স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় আইসিইউ সুবিধাযুক্ত অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করা  খুবই জরুরি।
হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. রেজওয়ানুল আলম বলেন, প্রতিনিয়ত রোগীর চাপ সামাল দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে আইসিইউ সুবিধার অভাবে অনেক সময় সংকটাপন্ন রোগীদের অন্যত্র রেফার করতে বাধ্য হতে হয়।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, আইসিইউ স্থাপনের বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। খুব তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com