1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

তায়কোয়ানডো এডহক কমিটিতে আওয়ামীপন্থী বিতর্কিত ব্যক্তি রাজশাহীর জনি

sristy talha
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের উন্নয়ন ও বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পত্র নং-৩৪.০৩.০০০০.০০৪.০৫.০২৪.২৪ অনুযায়ী গঠিত এডহক কমিটিতে বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে জনাব গোলাম সাকলাইন জনির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমানাদি অনুযায়ী, জনাব গোলাম সাকলাইন জনি আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মী। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগ এর ছত্রছায়াতে রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার তায়কোয়ানডো সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং রাজশাহীর রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের ‘জুলাই আন্দোলন’-এ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রাজশাহীতে যে হত্যা, দমন-পীড়ন চালানো হয়েছিল, সেই আন্দোলন দমনে জনাব গোলাম সাকলাইনের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই সময়ে রাজশাহীর রাজপথে মিছিলে ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সভায় তাকে সরাসরি অংশ নিতে দেখা যায়। জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-যুব সমাজের উপর চালানো হত্যা, দমন-পীড়নের নৃশংসতা এখনও অনেকের মনে দুঃখের স্মৃতি হয়ে রয়েছে। সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, সম্প্রতি সাউথ এশিয়ান গেমস (পাকিস্তান) খেলোয়াড় বাছাই প্রোগ্রামে গোলাম সাকলাইন রেফারি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এ ধরনের রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ব্যক্তির এমন গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাছাই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকা বাংলাদেশের জাতীয় ফেডারেশনের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে তায়কোয়ানডো সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ক্রীড়ামোদীদের একাংশের দাবি, এডহক কমিটিতে ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বাছাই প্রোগ্রামে রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক এবং বিতর্কিত ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তি তায়কোয়ানডো খেলাধুলার সুষ্ঠ পরিবেশ ও ফেডারেশনের মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এবং বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে খেলাধুলায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তারা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com