1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার

সালমান এফ রহমানের অর্থায়নে নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু

স্টাফ রিপোর্টারঃ-
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপির ব্যক্তিগত অর্থায়নে নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার দোহারে তাঁর বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ কার্যক্রমের শুরু হয়। নারীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে প্রশিক্ষণ শেষে সবাইকে সেলাই মেশিন প্রদান করা হবে। এসময় ফাউন্ডেশনের মহাসচিব আব্দুর রউফ জানান, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার নারীদের শুধু সেলাই প্রশিক্ষণই নয় তাদের কাজের প্রশিক্ষণ হাতে-কলমে শেখানো হবে।

বিগত ২৭ বছর ধরে সালমান এফ রহমানের প্রতিষ্ঠিত এ ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশন নারীদের আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহ সামাজিক, মানবিক ও বিভিন্ন দুর্যোগে সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

মহাসচিব আব্দুর রউফ আরো জানান, ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে দোহারে জয়পাড়ায় সেলাই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নারীদের জন্য শুরু করেছি। এর মাধ্যমে নারীদের আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। প্রশিক্ষণ শেষে সালমান এফ রহমান তার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে প্রত্যেকটা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারীদেরকে একটি করে সেলাই মেশিন উপহার দিবেন। যাতে সেলাই মেশিনের মাধ্যমে তারা কিছুটা হলেও উপকৃত হয় এবং নিজেদের পায়ে দাড়ানোর কিছুটা সুযোগ পায়। তিনি আরো জানান, সেলাই মেশিন প্রশিক্ষন কর্মসূচীর মাধমে আমরা ৫০০-৭০০ কর্মী তৈরি করতে চাই এবং তারা নিজেদের পরিবারের কাজ করবে, পাড়া প্রতিবেশিদের কাজ করবে। মা বোনরা যাতে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে সেই লক্ষ্যেই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এতে করে তারা পর-নির্ভরশীলতা থেকে মুক্তি পায়, সে জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সালমান এফ রহমান বলেছেন মানবতার কল্যানে তিনি সব সময় এটাকে অগ্রাধিকার দিয়ে চালু রাখবেন।

এই কাজটা রাজনৈতিক নয় উল্লেখ করে তিনি জানান, এই কাজটা প্রতিটি এলাকার মানুষের জন্য এবং তিনি প্রত্যেকটা মানুষেরই এমপি। যারা তাকে ভোট দিয়েছেন তিনি তাদের যেমন এমপি, যারা তাকে ভোট দেননি তিনি তাদেরও এমপি। দোহার নবাবগঞ্জ এলাকার ৭ লাখ মানুষের মনে প্রানে মিশে আছেন দোহার-নবাবগঞ্জ ঢাকা -১ আসনের এই সাংসদ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com