সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের গ্রামীণ দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করনের কাজ না করে পালালেন ভুইয়া এন্টারপ্রাইজ নামে এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ রাস্তা পাকাকরনের কাজের ট্রেন্ডার হয়েছিল দুই বছর পূর্বে। তখন সেই রাস্তার কাপেটিংয়ের কাজ পায় ভুইয়া এন্টার প্রাইজ । টেন্ডারের এক বছর পরে রাস্তার কাজ শুরু করলেও,সম্প্রতি তারা রাস্তার কাজ না করে সটকে পড়েছে । তবে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। তার গাফলতির কারণে এই রাস্তার কাজ বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে খানাখন্দ এই রাস্তায় চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ। সামনে বৃষ্টির সিজন, এই সময়ে তাদের দুর্ভোগ আরও প্রকট হবে জানান। শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী গিয়ে কথা হয় ঐগ্রামের এক পথচারীর সাথে তিনি জানান বৃষ্টি হলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে তাদের। হাট বাজারে পন্য বিক্রি করা কষ্ট হয়। তাদের দাবী যেন রাস্তা পাকাকরণের কাজটি দ্রুত শুরু হয়।
খোজ নিয়ে জানা যায়, ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের গুরুত্বপুর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নের চকদাদপুর-চুনিয়াখাড়া ১ কিলোমিটার এবং ধানগড়া ইউনিয়নের ঝাঁপড়া পালপাড়া থেকে করিলাবাড়ি পযন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তাসহ দুই কিলোমিটার প্যাকেজের চেইন রাস্তা পাকাকরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজ শেষ করার কথা ২০২৩ সালের র্মাচ মাসে। স্থানীয়রা জানান, প্রায় আট মাস আগে এই রাস্তায় খানাখন্দ বা ভাঙা গর্ত গুলো মাটি দিয়ে সমতল করার পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত রাস্তায় যানবাহন চলাচল করার কারনে রাস্তায় ধুলো বালি ও খানাখন্দ হয়ে গেছে, এতে ওই রাস্তায় ঘটছে দূর্ঘটনা ।
ভুইয়া এন্টার প্রাইজের মালিক রবিউল হাসান জানান, রাস্তার কাজটি ছিল আগের,তখন সব জিনিসের দাম ছিল কম । বর্তমানে রাস্তার কাজের সরঞ্জামের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজটি করতে পারছি না। তবে তিনি জানান এই রাস্তার কাগজ পত্র ঢাকায় পাঠাইছি, পাশ হলেই আবার শুরু করবো কাজ।রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন,আমি ইতি পূর্বে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মৌখিক বা লিখিত ভাবে কাজ করার জন্য বার বার তাগিদ দিয়েছি। তখন তারা কাজটি করেনি। এই ট্রেন্ডার বাতিলের জন্য জেলা কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছি।