1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

চৌগাছায় সিএনজি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে আহত-৫

মেহেদী হাসান শিপলু
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৮২ বার পড়া হয়েছে

যশোরের চৌগাছায় সিএনজি ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই আনসার সদস্যসহ ৫জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিন জনকে যশোর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। অন্যরা চৌগাছা হাসপাতালে ভর্তি। সোমবার বিকেলে চৌগাছা-যশোর সড়কে কয়ারপাড়া
বাজার সংলগ্নে এই দুর্ঘটনা ঘটে।উপজেলা প্রশাসন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে নিয়োজিত আনসার সদস্য ঝিনাইদাহ জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার তাজ উদ্দিনের ছেলে শামছুল আলম (৪০) ও একই উপজেলার মোয়াজ্জেম আলীর ছেলে মিজানুর রহমান মিজান (৪৫) ছুটিতে মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে চৌগাছা-যশোর সড়কে কয়ারপাড়া বাজার সংলগ্নে পৌছালে বিপরীত দিক হতে আসা একটি সিনজির সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে আনসার সদস্যসহ
সিএনজি যাত্রী আহত হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিলে আনসার সদস্য সামছুল ও মিজানকেযশোরে রেফার করেন। দুর্ঘটনায় আহত অন্যরা হলেন, কয়ারপাড়া গ্রামের অজিত সেনের ছেলে চন্ডি সেন (৫৫), সিএনজি যাত্রীঢাকার কেরানীগঞ্জের আলিফের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৪০) ও যশোর সদরের চাঁদপাড়া গ্রামের আনছার আলী জোয়াদ্দারের ছেলে শামীম কবির জোয়াদ্দর (৪০)। তরা সকলেই চৌগাছা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।প্রত্যক্ষদর্শী সেলিম হোসেন জানান, কয়ারপাড়া গ্রামের চন্ডি সেন বাকপ্রতিবন্ধি। তিনি দৌড়ে সড়ক পার হতে যায় এ সময় সিএনজি চালক তাকে বাঁচাতে বাক নিলে সামনের মোটরসাইকেলের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি সড়কের পাশে উল্টে দুমড়ে মুচড়ে যায়।হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ সুরাইয়া কামালকনা বলেন, আনসার সদস্য শামছুল আলম ও মিজানের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে দ্রুত যশোরে রেফার করা হয়েছে।আহত অন্যরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুস্মিতা সাহা বলেন, দুর্ঘটনার কবলে পড়া আনসার সদস্যরা ছুটিতে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে দ্রুত উপজেলা প্রশাসনের লোকজন হাসপাতালে ছুটে যান এবং তাদের শারীরীক অবস্থা ভাল না হওয়ায় দ্রুত যশোরে নেয়া হয়েছে। আমি সর্বদা আহতদের খোঁজ খবর নিচ্ছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com