বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ভারতে দু’দেশের সীমান্তেই বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে যায় নাজনীন। ওই যুবতীর শরীরে লুকিয়ে রেখেছিল সোনার বার গুলি। আগেও সে ভারত থেকে চকোলেট, বার –সহ নানা জিনিস পাচার করেছে বাংলাদেশে। এবার সেটা সম্ভব হয়নি।বিএসএফের যেন সন্দেহ না হয় তার জন্য বৈধ পাসপোর্ট দেখিয়েই পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকেছিল ওই যুবতী। চেকিং পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়াবার পর তার ব্যাগ তল্লাশি করে কিছু পাওয়া যায়নি। তবে যখন বিএসএফের মহিলা জওয়ানরা শরীরে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেক দেয় তখন সে ধরা পড়ে যায়। বিএসএফের মহিলা জওয়ানদের জেরার কাছে অবশেষে সোনা নিয়ে পাচারের কথা স্বীকার করে ওই বাংলাদেশের যুবতী। সে মহিলা বিএসএফ জওয়ানদের জানায়, নিজের শরীরের ভিতরে সে সোনার বার লুকিয়ে ওপার থেকে এপারে এসেছে। সোনার বার পাচার করতেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকতে চাইছিল সে। অবশেষে ওই যুবতীর শরীর থেকে বিএসএফ উদ্ধার করেছে ২৯ লক্ষ টাকার চারটি সোনার বার।
এদিকে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, যুবতীর শরীর থেকে সোনার বার উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটেছে ১২ফেব্রুয়ারি সোমবার। বাংলাদেশি যুবতীর নাম নাজনীন নাহার। তবে সে বিবাহিত যুবতী। রাজধানী ঢাকায় ভুঁইয়াপাড়ার খিলগাঁওয়ে ওই যুবতীর বাড়ি। বিএসএফের জেরার সময় সে জানিয়েছে, বাংলাদেশের বেনাপোল বাজারে আবিদুলের কাছ থেকে সে ওই সোনা নিয়ে কলকাতায় নতুন বাজারে একজনের হাতে পাচার করার কথা ছিল। এই সোনা পাচার করতে পারলে ৬ হাজার টাকা কমিশন পেতওই যুবতী।