1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানকে ১০ বছর সময় দিতে হবে, কোনো কথা চলবে না: জুলাইযোদ্ধা মাকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বললেন ‘বিচারের নামে অবিচার নয়’: প্রধানমন্ত্রী শাওন-মাহির বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ পিতৃপরিচয়হীন ও প্রান্তিক শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সহজ করল সরকার: ফরিদপুরে কর্মশালা পুলিশ সুপার নওগাঁর কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান ০৪ জন গ্রেফতার বকশীগঞ্জে সোলার প্যানেলের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত! নলডাঙ্গায় নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাগুরার জয় চৌধুরী, বিভিন্ন সংগঠনের অভিনন্দন কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে ৫ ডাকাত গ্রেফতার, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার পতাকায় কলেমা লেখা নিয়ে মিছিল কলেমার শিক্ষা নয়, এটা কলেমাকে অপমান করা । -আল্লামা ইমাম হায়াত

সীমা’র সপ্ন পূরণে এগিয়ে আসলেন আলী আযম মুকুল

রিয়াজ ফরাজি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে
ভোলার বোরহানউদ্দিনের মেয়ে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে ভর্তির চান্স পান আয়েশা আক্তার সীমা।বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়ন বাটামারা গ্রামের দিন মজুরি অসহায় মো.শফিক হোসনের মেয়ে আয়েশা আক্তার সীমা। তাদের টানাপোড়েনের সংসারেও সীমা বোরহানগঞ্জ বাজার ডোরস্ স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেন। ভালো রেজাল্ট করায় তার বাবা তাকে সরকারী আবদুল জব্বার কলেজে  ভর্তি করান, সেই কলেজেও এইচএসসিতে ভালো রেজাল্ট  করে সীমা। একদিকে অভাব অনটন, অন্যদিকে অসহায় বাবার সপ্ন, টাকা না থাকায় চলতি বছরে মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায়,জামালপুর কলেজে চান্স পেয়ে যান আয়েশা আক্তার সীমা।
বৃস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪.ভোলা ২ আসনের এমপি আলী আযম মুকুলের বোরহানউদ্দিনের বাসায় মেডিকেলে চান্স পাওয়া সীমা ও তার বাবা গেলে- আলী আযম মুকুল তাদের সাথে কৌশল বিনিময় করেন।এই সময় মেধাবী সীমাকে মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় তাকে ও তার বাবাকে ধন্যবাদ জানান, সেই সাথে আয়েশা আক্তার সীমার এমবিবিএস কোর্স সম্পুর্ণ করতে যেই খরচ যাবে,তা তিনি বহন করবেন বলে ঘোষণা দেন। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমার ভর্তির প্রক্রিয়ার যাবতীয় খরচ ব্যবস্থা করে দেন।
 আলী আযম মুকুল বলেন- এখন তোমাকে অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। আমি সেই পথের সারথী হিসেবে পাশে থাকবো। মেডিকেলের পুরো কোর্স সম্পুর্ণ করতে যা ব্যয় হবে, ইনশাআল্লাহ আমি তোমার পাশে আছি। তুমি মনোযোগ সহকারে পড়াশোনা করবে, তোমার বাবা তোমার জন্য দিন-রাত মজুরি খেটে আজ তোমাকে এই পর্যায়ে এনে ধার করিয়েছে, কোন চিন্তা নাই। তোমার ও তোমার বাবার সপ্ন পূরণ করতে সব সময় তোমাদের পাশে থাকবো।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com