মসজিদের উন্নয়ন করতে করতে আমরা এমন জায়গায় পৌছে গেছি যে নামাজ বাস্তবায়ন নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই। বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় এবং সুন্দর মসজিদ গুলোর মধ্যে একটি রাজধানীর বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। কিন্তু দুঃখের বিষয় নিদিষ্ট সময় পর এই মসজিদে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না।
রহমত উল্লাহ তমাল নামক এক মুসল্লি অভিযোগ করেন, ‘দুপুর ২:৩০ মিনিটের পর বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে বলা হচ্ছে এখানে নামাজ পড়া যাবে না, অন্য জায়গায় নামাজ পড়েন।’তিনি বলেন, ‘আমার কথা হচ্ছে কয়েক শত কোটি টাকা খরচ করে লাভ টা হলো কি? যদি নামাজই না পড়তে পারলাম। তাইলে তো বনানীর পুরোনো মসজিদটাই ভাল ছিল আর যাই হোক অন্তত নামাজটা পড়তে পারতাম।’
আরও কয়েকজন সাধারণ মুসল্লিরা অভিযোগ করেন, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নতুন ডিজাইনে নির্মাণ করার পর থেকে নামাজের নির্ধারিত সময়ের পরে আর কাউকে নামাজ পড়তে ঢুকতে দেওয়া হয় না। এটা নাকি মসজিদ কমিটির নিয়ম। এ নিয়মে অনেকই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ক্ষোভে এক মুসল্লি বনানীর দানবীর দের কাছে অনুরোধ করেন, ভাংগা টাইপের একটা মসজিদ করে দিবেন। যাতে মানুষ যখন খুশি তখন নামাজ পড়তে পারে।