1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৭ সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার: ৫ সহোদর গ্রেপ্তার অবহেলা-দুর্নীতি হলে বদলিতে বিশ্বাসী নয়, চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী তারেক রহমানকে ১০ বছর সময় দিতে হবে, কোনো কথা চলবে না: জুলাইযোদ্ধা মাকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বললেন ‘বিচারের নামে অবিচার নয়’: প্রধানমন্ত্রী শাওন-মাহির বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ পিতৃপরিচয়হীন ও প্রান্তিক শিশুদের জন্ম নিবন্ধন সহজ করল সরকার: ফরিদপুরে কর্মশালা পুলিশ সুপার নওগাঁর কঠোর নির্দেশনায় ধামইরহাট থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান ০৪ জন গ্রেফতার বকশীগঞ্জে সোলার প্যানেলের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত! নলডাঙ্গায় নজরুল জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

২০০ বিদ্যালয়ে নেই শহীদ মিনার

রাশিমুল হক রিমন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩৭৭ বার পড়া হয়েছে

আমতলী উপজেলার ২২৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০০ প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী মিনার নির্মাণ করে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ৭২ বছরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ না করায় ক্ষুব্ধ শিক্ষাথীরা। দ্রুত উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন তারা।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলায় ২২৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ১৫৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৩ টি নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৭ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ২৯ টি ও ৭টি কলেজ রয়েছে। উপজেলার ১২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুইটি কলেজ ও ১৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার রয়েছে। অবশিষ্ট বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই।

অপর দিকে উপজেলার কোন মাদ্রাসায়ই শহিদ মিনার নেই। শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করছে। এছাড়া যেগুলোতে শহিদ মিনার রয়েছে সেগুলো অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে থাকে। এগুলো সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। প্রতি বছর আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের দু’এক দিন পূর্বে আমতলী কেন্দ্রিয় শহিদ মিনারসহ অন্যান্য শহিদ মিনার ঘষা মাজা করা হয়। দিবস শেষ হয়ে গেলে কেউ ওই মিনারের আর খবর রাখে না।

সরেজমিন দেখা গেছে, কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গুরুদল বঙ্গবন্ধু নিন্মমাধ্যমিক বিদ্যালয়, এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, মানিকঝুঁড়ি মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, পচাঁকোড়ালিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কড়াইবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই।

আমতলী এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাবাচ্ছুম, মুগ্ধ, ফারাবি ও আনিন বলেন, বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই, কলেজের শহিদ মিনারে গিয়ে ফুল দিতে হয়। এতে খুব খারাপ লাগে। আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে শহিদ মিনার নির্মাণের দাবী জানাই।

তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউনুচ মিয়া বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার না থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিউল আলম বলেন, উপজেলার ১৫টি বিদ্যালয় ছাড়া অবশিষ্ট বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই। সরকারিভাবে উদ্যোগ নিলে তা বাস্তবায়ন করা হবে।আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাহমুদ সেলিম বলেন, উপজেলার ১২ টি বিদ্যালয় ও দুইটি কলেজে শহিদ মিনার আছে। কিন্তু কোন মাদ্রাসায় শহিদ মিনার নেই। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ করা প্রায়োজন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ভাষা শহিদদের পরিচয় জানতে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার থাকা আবশ্যক। মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা স্থানীয় পর্যায়ে অর্থ সংগ্রহ করে শহিদ মিনার নির্মাণ করবেন। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে উপজেলা প্রাঙ্গণে শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com