শীতের আগমনের সাথে সাথে নিত্যনতুন সবজির চাষ হয় নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায়। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে সেই সবজির দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌছে যায় সবজি ব্যাবসায়ীদের হাত ধরে। সেপ্টেম্বরের শেষের দিক থেকে শুরু করে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত নাটোরের ৭ টি উপজেলায় কমবেশি বিভিন্ন প্রকারের আগাম সবজির চাষ করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে, সিম,পেপে,লালশাক, পালনশাক,পটল,ফুলকপি বাধাকপি,মিষ্টিকুমড়াসহ বাজারের অধিকাংশ সবজিইই এই অঞ্চলে চাষাবাদ হয়ে থাকে।যা এলাকার চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রি করা হয়।নভেম্বরের শুরুর দিকে সবজির বাজারে অস্বস্তি থাকলেও বর্তমানে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার দাম কমতে শুরু করেছে। এতে মধ্যবিত্ত পরিবার ও নিম্ন আয়ের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।আশা করা হচ্ছে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নাটোরে সবজির বাজার দর আরো নিচে নামতে পারে। এ বেপারে বড়াইগ্রাম এর ধানাইদহ বাজারের সবজি ব্যাবসায়ী মুর্তজার সাথে কথা বলে জানা যায় এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সবজির ফলন গত বছরের তুলনায় ভালো হয়েছে।কৃষক আগাম সবজি চাষ করে বেশ লাভবানও হয়েছে। এখন সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী। এদিকে বড়াইগ্রাম এর মকিমপুর গ্রামের সবজি চাষি আনিসুর রহমান, মশিন্দা গ্রামের আবু জাফর এবং কয়েন গ্রামের ইসলাম এর সাথে কথা বলে জানা যায়, সবজিতে এবার যতটুকু আশা করেছিলেন সে পরিমান লাভ না হলেও লচের মুখ দেখতে হবে না।তবে সার সংকট এর কারণে চাষাবাদে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়।সরকার যদি সার ব্যবস্থাপনায় কড়া নজরদারি করে তাহলে কৃষকের ভোগান্তি নিরসন হবে বলে মন্তব্য করেন।